• প্রচ্ছদ
  • /
  • ভ্রমণ
  • /
  • পর্যটকবাহী নৌযানের অপেক্ষায় সেন্টমাটিনের সাড়ে আট হাজার মানুষ

পর্যটকবাহী নৌযানের অপেক্ষায় সেন্টমাটিনের সাড়ে আট হাজার মানুষ

Published : অক্টোবর ২২, ২০১৭ | 789 Views

পর্যটকবাহী নৌযানের অপেক্ষায় সেন্টমাটিনের সাড়ে আট হাজার মানুষ

জাহাঙ্গীর আলম শোভন

শুরু হয়েছে পর্যটন মৌসুম। প্রতিবছরের ন্যায় এবারো দূর্গাপূজার ছুটি দিয়ে শুরু হয়েছে দেশের মানুষের ভ্রমনের ইচ্চাপূরণ। কিন্তু নিদারুন সংকটে পড়েছে সেন্টমার্টিন দ্বীপের মানুষ এখাননকার ৭০ ভাগ মানুষের জীবন ও জীবিকা প্রতক্ষ্য ও পরোক্ষভাবে পর্যটন নির্ভর। মৌসুম শুরুর ২ মাস হয়ে গেলেও সেখানে চালু হয়নি পর্যটনবাহী তরীর গমনাগমন। একদিকে গত বছরের আয়ের অর্থ নিশেষ হয়ে গেছে অন্যদিকে এই বছর কি হবে? সেই হতাশায় ভেঙ্গে পড়েছে সেখানকার মানুষ। শুধু সেন্টমার্টিন নয়। ঢাকা চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসায়ীরাও হতাশার মধ্যে রয়েছেন।

রোহিঙ্গা আগমন, নিরাপত্তা ইস্যূতে দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন স্পট বন্ধ হওয়াতে এর প্রভাব পুরো পর্যটন সেক্টরে। বিগত কয়েকবছরের ডোমেস্টিক ট্যুরিজম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় দেশের জিডিপিতে কোনো অবদান আসেনি তা সত্য কিন্তু যেসব এলাকায় দেশীয় পর্যটন বিকশিত হয়েছে। সেখানকার মানুষের জীবন ও জীবিকা তার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। হঠাৎ কোনো পরিবর্তন মেনে নেয়ার মতো অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এখনো সেসব এলাকায় কিংবা সেসব মানুষের অথবা পুরো দেশের গড়ে উঠেনি।

একসময় ২ হাজার লোক বসবাস করতো এই দ্বীপে। জীব বৈচিত্র সম্পদ সবকিছুতে ভরপুর ছিলো। এখানকার সবাই সবার আত্মীয়। এদের মধ্যে ভাব ও সামাজিক বন্ধন এখনো খুব দৃঢ়। একশভাগ লোক মুসলিম। এরা শান্তিপ্রিয় হলেও তাবত বাইরের জগতের অনেক কিছুর থেকে তারা দূরেই ছিলেন।

যখন ছোট ছোট নৌকায় স্থানীয় লোকেরা মাছ ধরতো কিংবা যাতায়াত করতো আর সে জীবিকায় কুড়েঘরে বসবাস করতো। তখন কালেভদ্রে কেবল সরকারী লোকেরা যেত। এছাড়া দ্বীপের সাথে মূল ভূখন্ডের যোগাযোগ ছিলো কেবল মাছ আসার।

আজ দ্বীপের লোকেরা দু:খ করে বলে, যখন আমাদের বাপ দাদারা ২/৩শ বছর আগে এখানে এসে বসতি স্থাপন করেছে তখনতো কেউ তাদের সাহায্য করেনি। বিগত বছরগুলোতে আমরা প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবিলা করে এখানে টিকে রয়েছি সরকার কিংবা কোনো সংস্থাতো আমাদের খবর রাখেনি। আমরা এখানকার সব ধরনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ঠিক রেখেছি বছরের পর বছর কোথায় ছিলো তখন পরিবেশবাদীরা?

 

সেন্টমার্টিনকে পর্যটনভূমি হিসেবে পরিচিত করানোর জন্য চারজন মানুষের ত্যাগ তিতিক্ষা রয়েছে। এরমধ্যে একজন হলেন স্থানীয় শফি মাস্টার যিনি দেশী বিদেশী পর্যটকদের তার বাসায় থাকতে দিতেন। তখন কোনো হোটেল রেস্টুরেন্টতো দূরের কথা থাকার কোনো ব্যবস্থা ছিলো না। মাছ ধরার ট্রলারে করে উৎসাহী পর্যটকেরা যেতেন আর মাস্টার সাহেবের বাড়ীতে থাকতেন। বাইরের লোক দেখলে মানুষ দেখতে আসতো। আর শুদ্ধ বাংলাভাষাকে বলতো ‘‘পুলিশ্যা ভাষা’’। ছিলো না কোনো স্কুল। সেখানে ধর্মপ্রান ও কওমী আলেমরা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষার বুজ বুনন করেন।

আরেকজন মানুষ সেন্টমার্টিন দ্বীপকে সবার কাছে তুলে ধরেন। তিনি হলেন অন্তরে অন্তরে ছবির পরিচালক সিবলী সাদিক। তিনি সিনেমার মাধ্যমে দ্বীপের অপরুপ সৌন্দর্য মানুষের কাছে তুলে ধরেন। তাকেও কম হ্যাপা নিতে হয়নি। পুরো শ্যুটিং টিমের উপর আক্রমণ করেছিলো স্থানীয় জনগন। তাদের ভাষ্য দ্বীপে এসব হারাম কাজ করা যাবে না। পরে বিডিআর সহায়তায় তারা শুটিং করতে সক্ষম হন।

আরেকজন মানুষের নাম না করলেই নয়। তিনি হলেন হুমায়ন আহমেদ। হুমায়ন আহমেদ সেন্টমার্টিন দ্বীপে বাড়ী করেছেন। এই মেসেজে সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রতি মানুষের আগ্রহকে তুঙ্গে তুলে দেয়। কিন্তু হুমায়ন আহমেদ এর সাথে থাকা অতিথিদের ব্যাগে মদের বোতল আছে এই অভিযোগে হুমায়ন আহমেদও দ্বীপবাসীর কাছে নাস্তানাবুদ হন। দ্বীপের মানুষের সাথে মিশলে এই তথ্য জানা যাবে। পরে দীর্ঘদিন হুমায়ন আহমেদ তার সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাড়িতে যাননি।

আর দ্বীপকে পুরোপুরি পর্যটনমুখী করেন। যদ্বাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জামাত নেতা ও ব্যবসায়ী মীর কাসেম আলী। এই লোকটি সম্পর্কে বলা হয়। ইনি গোবরে হাত দিলে সেখানে সোনা ফলে। এই লোকটি যতগুলো উদ্যোগে হাত দিয়েছেন সব সফল হয়েছে। তার কোম্পানী কেয়ারী সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম কক্সবাজার রুটে প্রমোদতরী হিসেবে কেয়ারী সিন্দবাদ চালু করে। পরে সেটা টেকনাফ সেন্টমার্টিন রুপে নিয়ে যান। এবং রাতারাতি বদলে যায় ইতিহাস। প্রথম দিকে তিনি দিনে দিনে পর্যটকদের ফেরত নিয়ে আসতেন। কিন্তু দ্বীপের সৌন্দয্যে মুগ্ধ হয়ে পর্যটকেরা বিভিন্ন লোকের বাসায় দোকানে এবং ক্যাম্প করে থাকা শুরু করলে সেখানে আস্তে আস্তে আবাসিক সুবিধা গড়ে উঠে। বর্তমানে হোমস্টে, রিসোর্ট ও হোটেল মিলে দেড় শতাধিক থাকার সুবিধা গড়ে উঠেছে। এবং মৌসুমে সর্বোচ্চ ৫টি পর্যন্ত শিপ চলাচল করে।

একটি জাহাজে শ পাঁচেক লোক যাতায়াত। তারমধ্যে শ দুয়েক লোক রাতযাপন। এ পর্যন্ত সব ঠিক ছিলো। কিন্তু যথনি একটি জাহাজে এক হাজার লোক তাও আবার ২টি ৩টি করে জাহাজ বেড়ে গেল। ১০টি রিসোটের জায়গায় ১১০টি হলো। তখনি সমস্যা দেখা দিলো।

জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেল। স্থানীয় লোকজনের নাভিশ্বাস। তিন হাজার লোক থেকে হয়ে ১০ বছরে সাড়ে আট হাজার লোক হয়ে গেল। প্রচুর প্রবাল নষ্ট হলো। মাছের পরিমাণ কমে গেল। ইত্যাদি নানা সমস্যায় টকন নড়লো পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর।

এরমধ্যে ঘটনা গড়ালো আদালতে। পরিবেশবাদী আইনজীবিদের সংগঠন বেলার করা এই রীটের প্রেক্ষিতে কোনো গবেষনা কিংবা স্থানীয় লোকদের সুবিধা অসুবিধা বিবেচনায় আনা হয়নি। এর মধ্যে রায় হলো। দ্বীপের জীববৈচিত্র রক্ষায় আগামী ৩ বছর পর্যটক যেতে পারবে না। ১১৬টি রিসোর্ট ভেঙ্গে ফেলতে হবে। ৫ কিলোমিটারের মধ্যে মাছ ধরা যাবে না।

মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো স্থানীয় জনগনের। এখন যে পরিমাণ মাছ পাওয়া যায় তাতে হাজার খানেক লোক মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে পর্যটক না আসলে বাকী লোকদের কি হবে? শেষ পর্যন্ত রায়ের স্থগিতাদেশ পেলেও। মড়ার উপর খাড়ার ঘা হয়ে আসলো রোহিঙ্গারা।

প্রথমত সমস্যা দেখা দিলে পর্যটক চালু হলে রোহিঙ্গারা পর্যটকের বেশে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। দ্বিতীয়ত যে সমস্যাটি সবচেয়ে প্রকট সেটা হলো পর্যটন জাহাজ যখন নাফ নদী অতিক্রম করে তখন চরার কারণে একটি জায়গায় নো ম্যান্স ল্যান্ড পেরিয়ে মিয়ানমারের সীমানা ঘেষে চলাচল করতে হয়। বলতে গেলে কিছু মিয়ানমারের সীমানায় ঢুকে যায়। গত বছর ৫টি নৌকায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী বিনা উস্কানীতে গুলি চালিয়েছে। মিয়ানমারের জেলখানায় অন্তত ২শ বাংলাদেশী জেলে আটক রয়েছে বছরের পর বছর বিনাবিচারে। সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গাদের উপর হামলা থেকে ধারণা করা যায় তারা কতটা বর্বর। এদিকে চলতি বছর বেশ কয়েকবার বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্গন করেছে তারা, গুলি করেছে বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যে। ফলে বড়ো দূর্ঘটনার আশংকা রয়ে যায়।

সম্প্রতি বাংলাদেশের স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর মিয়ানমার সফরকালে এসববিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করেছিলেন সংশ্লিষ্টরা কিন্তু হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি। কিন্তু পর্যটক জাহাজ চালু না হলে দ্বীপবাসীকে আক্ষরিক অর্থে না খেয়ে মরতে হবে।

দ্বীপের মানুষের দাবী অনতিবিলম্বে জাহাজ চালু করা হোক। ব্যক্তিগতভাবে আমিও এর পক্ষে তবে আমার কিছু স্বতন্ত্র পরামর্শ রয়েছে।

১. যেহেতু দ্বীপের জনসংখ্যা বেশী হয়ে গেছে সেজন্য কিছু লোককে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া দরকার। তাদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে জমি কিনে নিলে তারা সরে যেতে রাজি আছে। আমি অনেক মানুষের সাথে কথা বলেছি তারাই এমন ধারণা দিয়েছে।

২. টেকনাফের বদলে শাহপরীর দ্বীপ থেকে জাহাজ চলাচল করতে হবে। এতে করে নাফ চ্যানেলের জীববৈচিত্র নষ্ট হবে না। এবং মিয়ানমারের সীমান্ত দিয়ে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি থাকবেনা।

৩. সারাবছর যেখানে ছোট ছোট নৌকায় স্থানীয় লোকেরা যাতায়াত করে। এবং কুতুবদিয়া, সন্দীপ, হাতিয়া এবং সুন্দরবনেও পর্যটকেরা ছোট ও মাঝারী ভেসেলে যাতায়াত করতে পারে সেহেতু টেকনাফ থেকে কিছু ছোট ভেসেল অনুমতি দেয়া যেতে পারে সাময়িকভাবে। মানে শাহপরীর দ্বীপের রাস্তা প্রস্তুত হওয়া পর্যন্ত।

৪. টেকনাফ থেকে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্তসড়ক ৬০ ফিট চওড়াকরণ এবং জালিয়াপাড়ার কাছে একটি ছোট ব্রিজ নির্মাণ করে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত পুরো রাস্তা উচুকরণ দুইপাশে ভাঙনরোধী ব্যবস্থাকরণের মাধ্যমে পাকা করার দ্রুত ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. একটি বড়ো জাহাজ, একটি ছোট এসি জাহাজ এবং ৩টি ছোট ভেসেলে মোট ৫শ এর বেশী লোক যেন যাতায়াত না করে। এটাও ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করতে হবে।

৬. হোটেল মোটেল নির্মানের জন্য প্রথমত একটি নীতিমালা প্রনয়ন করতে হবে। এবং নীতিমালর অধীনে নিয়ে আসতে হবে পুরো বিষয়টাকে। যেসব হোটেল নীতিমালার মধ্যে পড়ে না। তাদেরকে ৫ বছর ব্যবসায় করার সুযোগ দিয়ে বন্ধ অথবা নীতিমালার মধ্যে আসার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ যখন তারা হোটেল নির্মাণ করেছে তখন তাদেরকে কেউ নিষেধ করেনি তাদের বিনিয়োগের দায় সরকারকে নিতে হবে।

৭. দ্বীপে পর্যটন পুলিশ ও পরিবেশ পুলিশের ক্যাম্প থাকতে হবে। হোটেল, মোটেল পর্যটক ও স্থানীয় লোকেরা বিশেষ করে প্লাস্টিক বজ্য ফেলে দ্বীপের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারবে না। এজন্য আইনগত ব্যবস্থা সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কর ইত্যাদি চালু করতে হবে।

৮. পর্যটকদের কাছ থেকে প্রবেশ ফি নিতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বীপের জন্য প্রবেশ ফি লাগে। সেই ফি দ্বারা দ্বীপের রাস্তাঘাট ও বিদ্যৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

৯. দ্বীপের শিশুদের শিক্ষার জন্য আরো প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রয়োজন এব্যাপারে সরকারের শিক্ষাবিভাগকে মনোযোগ দিতে হবে। বর্তমান বিদ্যালয়টিতে ১ জন শিক্ষক চারশ শিক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়ে থাকেন এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

১০. দ্বীপে স্বাস্থ্যসেবার ন্যুনতম ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থঝুকিতে বসবাস করে এখানকার সাড়ে আট হাজার মানুষ। একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকলেও নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তার সেখানে যান না। সেটাতে গবাদিপশু রাখে স্থানীয় কেয়ারটেকার। একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র সময়ের দাবী হয়ে উঠেছে।

 

১১. পুরো দ্বীপ রক্ষা ও উন্নয়নের জন্য সরকারী প্রতিনিধি, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, পর্যটন পেশাজীবি এবং স্থাণীয় লোকদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। সে কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী মাস্টারপ্লান প্রণয়ন করতে হবে এবং ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে হবে।

১২. পর্যটন ব্যবসায়ের সাথে দ্বীপের স্থানীয় লোকদের সম্পৃক্ততাকে গুরুত্ব দিতে হবে। তাদেরকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সেন্টমার্টিন এরপর টেকনাফ তারপর কক্সবাজার এবং অতপর চট্টগ্রাম তারপর ঢাকা এভাবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুযোগ দিতে হবে।

১৩. পর্যটন সম্পর্কে সঠিক ধারণা এবং মানসিকতা অভাবে সেখানকার লোকদের পর্যটক সম্পর্কে ভুল ধারণা রয়েছে সেটা দূর করার জন্য পর্যটন সংশ্রিষ্টদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরী করতে হবে।

১৪. পর্যটকদের বাসে, জাহাজে বা নৌকায় ব্রিফিং দিয়ে পরিবেশ রক্ষায় সচেতন করে তুলতে হবে।

১৫. হোটেল মোটেল কতৃপক্ষ প্রতিনিয়ত প্রচুর ময়লা ফেলে দ্বীপকে নোংরা করছে তাদেরকে নীতিমালা, আইন এবং বিচার ও শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

১৬. প্লাস্টিক বজ্য দ্বীপের বাইরে নিয়ে আসা এবং অন্যান্য বজ্য পুগে ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে।

১৭. নেভি এবং কোস্টগার্ডকে আরো সক্রিয় করে দ্বীপবাসীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।

১৮. দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী একটি বেড়িবাঁধ। সঠিক যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা সময়ের দাবী হয়ে উঠেছে।

১৯. দ্বীপের একটা অংশকে বিদেশীদের জন্য আলাদা জোন করে সীমিতসংখ্যক বিদেশীর পর্যটকের জন্য ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বিদেশী মুদ্রা অর্জিত না হলে দেশের অর্থনীতিতে এর কোনো প্রভাব পরিলীক্ষিত হবে না।

২০. দ্বীপের একমাত্র বোটঘাটকে সংস্কার করতে হবে।

২১. দ্বীপে পর্যটন সেবাদানকারী বোট ব্যবসায়ী হোটেল ব্যবসায়ী রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য দোকানপাট সবগুলোকে নীতিমালা ও নজরদারীর মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।

Published : অক্টোবর ২২, ২০১৭ | 789 Views

  • img1

  • অক্টোবর ২০১৭
    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    « সেপ্টেম্বর   নভেম্বর »
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • Helpline

    +880 1709962798