পর্যটনে যোগ হতে পারে নতুন মাত্রা: দূর্যোগ পর্যটন

Published : সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৭ | 1463 Views

দূর্যোগ পর্যটন

পৃথিবীর সকল জ্ঞানেররই বিস্তৃতি ঘটছে সময়ের প্রয়োজেন। সকল শাখারই শাখা প্রশাখা বিস্তৃত হচ্ছে বাস্তবতার আলোকে। পর্যটন বর্তমানে স্পোর্টস টূরিজম, মিডিক্যাল ট্যূরিজম, রিলিজিওন টুরিজম, ভিলেজ ট্যুরিজম, কালচারাল ট্যুরিজম, হালাল ট্যুরিজম, সোস্যাল ট্যুরিজম, মাইস ট্যুরিজম, কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম, রেসপন্সিবল ট্যুরিজম ও ডিপ্লোম্যাট ট্যুরিজম,  এর পর এখন কম্যুনিটি ট্যুরিজম সফলতার মুখ দেখছে। খুব শীঘ্রই  মানবিক ট্যুরিজম এর সাথে সাখে দূর্যোগ ট্যুরিজমও প্রাতিষ্ঠানিক আকার ধারণ করবে। এবং এর থেকে কিছু মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনগে পারে। আমরা শাহপরীর দ্বীপের মতো প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর অথচ সমস্যাসংকুল এলাকাগুলোকে দূর্যোগ পর্যটন এর আওতায় নিয়ে আসতে পারি। যাতে করে ট্যুরিজম এবং সমস্যা মানে ওখানকার মানুষদের যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলোকে আলাদা করে সামনে নিয়ে আসতে পারি। হয়তো এখান থেকেই সমাধানের একটা পথ পাওয়া যেতে পারে।

কেন দূর্যোগ ট্যুরিজম

প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট দূর্যোগে কখনো কখনো বিভিন্ন দেশ মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়ে। সেখানে দেখা দেয় মানবিক বিপর্যয়। তখন সমাজসেবী, স্বেচ্চাসেবী কর্মীরা সেসব দেশে গিয়ে সেবা কার্যক্রমে অংশ নেয়। এটাকে আমরা দুর্যোগ ট্যুরিজম বলতে পারি। এ ধরনের ট্যুরকে ট্যুরিজম এর মধ্যে নিয়ে আসার সুবিধা হলো এতে করে পেশাদারিত্ব বজায় থাকে। এবং ট্যুরি রিলেডেট ব্যক্তি ও সংগঠন তখন লোকজনকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে এটা সবার জন্য নয়। কেবল শুধুমাত্র মানবতার সেবকদের জন্য।

এতে করে কারা কিভাবে লাভবান হবে?

মূলত এ ধরনের ট্যুরিজম এর মাধ্যমে আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোই লাভবান হবে। কারণ যখন বন্যা, কিংবা জলোচ্চাস হয় তখন আমাদের দেশে পর্যটক আসে না। ঠিক সে সময়ে যদি আমরা বিদেশী স্বেচ্চাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে ব্যক্তি ও দলগতভাবে পর্যটক আনার ব্যবস্থা করতে পারি। যারা কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেবে। এখানকার মানুষের দু:খ দূর্দশা দেখবে। এবং তাদের ক্যামেরা লেখনি ও সামাজিক মাধ্যমে বিশ্বের কাছে তুলে ধরবে। আর আমাদের স্থানীয় মানুষরা তাদেরকে সহযোগিতা করবে তাদের সুবিধা অসুবিধার দিকে নজর রাখবে।

হয়তো হাজার হাজার লোকের মিছিল আসবে না। কিন্তু সেই কঠিন সময়ে যদি হোটেলগুলোতে কিছু পর্যটক থাকে বা তুলনামূলক কম সময়ে থাকতে পারে তাহলে মন্দ কি?

একটা আশংকা হলো খারাপ সময়ে যারা বাংলাদেশ ভিজিট করবে তারা কি নেতিবাচক মনোভাব নিয়ে ফিরে যাবে? আমার তা মনে হয়না। কারণ প্রথমত তারা হলো সেসব লোক যারা এডভেঞ্ছার প্রিয় এবং মানবতার সেবক ও স্বেচ্চাসেবী তাদের জন্য এটা কোনো ব্যাপার না। তাছাড়া তারা পরিস্থিতি সম্পর্কে জেনেই আসবে।

দ্বিতীয়ত: তারা তখনকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানবে শুধু তাই নয়। তারাতো একটি দেশে আসলে সে দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কি কি সুবিধা থাকে সেগুলো সম্পর্কে ধারণা নিয়ে যাবে।

লেখা: জাহাঙ্গীর আলম শোভন

সূত্র: ভ্রমণ কাহিনী, দেখব বাংলাদেশ গড়ব বাংলাদেশ।

Published : সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৭ | 1463 Views

  • img1

  • সেপ্টেম্বর ২০১৭
    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    « আগষ্ট   অক্টোবর »
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • Helpline

    +880 1709962798