পরিচ্ছন্ন থাকুন- ভালো ও সুন্দর থাকুন

Published : আগস্ট ২৬, ২০১৭ | 821 Views

ভালো থাকুন – সুন্দর থাকুন

১. শরীরের দাগ ছোপ

দাগ-ছোপ তুলতে সবচেয়ে বেশি কাজ দেয় অ্যালো-ভেরা। প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে আন্ডারআর্ম, ঘাড়, কনুই, উরুর ভিতরের অংশ, হাঁটু ইত্যাদিতে ভাল করে মেখে নিন। কিছুক্ষণের মধ্যেই জেলটি শুকিয়ে যাবে। সারা রাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলুন। দু’একদিনের মধ্যেই পরিবর্তন চোখে পড়বে। পাকা পেঁপে চটকে তার মধ্যে অল্প ময়দা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। সপ্তাহে একদিন স্নানের আগে ঘাড়, হাত, গলা, কোমরের নীচের অংশ, নিতম্বের তলার দিক ও উরুর ভিতরের দিকে মেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে অল্প টান ধরলে ধুয়ে ফেলুন।

 

২. শরীরের ভাঁজে কালো দাগ

উরুর ভিতরের অংশের কালো ছোপ দূর করতে ভাল কাজ দেয় চিনি, মধু ও লেবুর জলের মিশ্রণ। প্রতিদিন স্নানের আগে আঙুলে এই মিশ্রণটি নিয়ে উরুতে আস্তে আস্তে ঘষতে থাকুন ক্লকওয়াইজ ও অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ। এক একটি উরুতে অন্তত ৫ মিনিট।  নিতম্বের ভাঁজে, উরু ও যৌনাঙ্গের মিলনস্থল বা কুঁচকিতে কালো ছোপ দূর করতে ভাল কাজ দেয় ওটস। শুকনো ওটসের দানার সঙ্গে দই ও মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। তার পরে ওই অংশগুলিতে পেস্টটি দিয়ে স্ক্রাবিং করুন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন করুন।

৩.  চোখের নিচে কালো দাগ

সকালে ঘুম থেকে উঠেই চোখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায় এবং এটি চোখের নিচের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। চোখের নীচে কালোদাগ দুর করতে প্রচুর পরিমাণ পানি পান, সবুজ শাক-সবজি আহার এবং নিয়ম মাফিক ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা ও মানসিক চাপ কমাতে হবে৷ যদি আপনার চোখ কচলানোর অভ্যাস থাকে, তাহলে সেটি বাদ দিন। কেননা এটি আপনার ত্বকের নিচের রক্ত কণাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

 

৪. প্রসঙ্গ কান পরিষ্কার

কটন বাড যদি পুরনো হয় সেটি ব্যবহার করলে কানে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে৷ বিশেষ কোনো জরুরী কারণ ছাড়া কান পরিষ্কারের কোনও দরকারই নেই। প্রাকৃতিকভাবেই কানের নিজস্ব কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে, যার মাধ্যমে কান পরিষ্কার হয়৷ ত্বকের মৃত কোষ ও বাইরের ধুলোময়লা মিলে তৈরি হয় কানের খোল বা ওয়াক্স। প্রকৃতিগতভাবেই কানের সরুপথের ত্বক বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেখানে জমে থাকা তরল ও আঠালো খোলকে কানের বাইরে পাঠাতে ব্যস্ত থাকে। সেই সঙ্গে চোয়ালের অনবরত নড়াচড়া সাধারণভাবে কানে জমা খোলকে কান থেকে বের করে দেয়।

৫. বাঁহাত

কত বিভিন্ন জায়গায় হাত রাখি। তাই হাতের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি জীবাণু থাকে আর যতবার মুখে হাত দেওয়া হয় ততবারই সেগুলিকে ছড়িয়ে দেওয়া হয় মুখের ত্বকে।

Published : আগস্ট ২৬, ২০১৭ | 821 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798