উত্তরের প্রান্তিক মানুষদের সাথে সময় কাটাতে চলুন তেঁতুলিয়া যাই

Published : আগস্ট ২৪, ২০১৭ | 838 Views

উত্তরের প্রান্তিক মানুষদের সাথে সময় কাটাতে চলুন তেঁতুলিয়া যাই

জাহাঙ্গীর আলম শোভন

এটা হবে বাংলাদেশের একেবারে শেষ প্রান্তিক স্থান তেঁতুলিয়া। আমরা জানি তেঁতুলিয়া সাথে ভারতের শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ি নামে ২টি জেলা। মহানন্দা নদী, সমতলভূমির চা বাগান আর স্থানীয় মানুষের জীবন এই দুয়ে মিলে শত বছরের পুরনো পর্যটন ঐতিহ্য। তাই এখানকার মানুষ ও প্রকৃতি হতে পারে দেখার ও জানার বিষয়। এই শীতে যেকোনো একদিন ডাক দেব আপনাদের।

প্রস্তাবিত স্থান: দেশের সর্ব উত্তরের জনপদ তেঁতুলিয়া।

পর্যটন আকর্ষণ:

মহানন্দা নদী, সমতলভ’মির চা বাগান, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত স্থানসমূহ, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট স্থানীয় খাবার ও সংস্কৃতি।

বিবরণ: এখানে পর্যটকের দিন শুরু হবে সকাল থেকে। চা বাগানের শ্রমিকের সাথে একবেলা কাটিয়ে তারা চলে যাবেন বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে। এখানে সুস্বাদু হাসের মাংশ ও স্থানীয় মিস্টি খেতে পারবেন। তারপর বিকেলে সময় কাটাবেন পাথরভাঙ্গা শ্রমিকদের সাথে। রাতে হালকা লোকগানের আসর, গম্ভীরা কিংবা পটগান, কিংভা ভাটিয়ালী ভাওয়াইয়া শুনতে পারেন। বিকেলে দেখতে পারেন মহানন্দা নদীতে সূর্যাস্ত। পরদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেখার জন্য পঞ্চগড় জেলা শহরের আশপাশে রয়েছে কমলার মৌসুমে কমলা বাগান। আর আছে ভেতরগড় দূর্গ।

বাড়তি আকর্ষণ: চাইলে ভিজিট করা যেতে পারে চা কারখানা। এখানকার পানীয় জল এবং চা দুটোই অত্যন্ত সুস্বাদু। সারাজীবন মনে থাকার মতো। আর যত্রতত্র পাওয়া যায় গাভীর দুধ দিয়ে বানানো সতেজ চা। স্থানীয় মিষ্টি গ্রামীন খাবার আর মহিলাদের তৈরী হাতে বানানো নানা লোকজ  ও কুটির সামগ্রী পাবেন এখানকার বাজারে। দুধ সবসময় মিলবে। শীতে আসলে মিলবে খেজুরের রস। খেজুরের রসের পায়েস খাইয়ে আপনি আপনার অতিথির মন ভুলিয়ে দিতে পারবেন নিমেষেই।

থাকা: থাকার জন্য রয়েছে তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো। এছাড়া এখানকার পিকনিক স্পট কিংবা মহানন্দা নদীর তীরে ক্যাম্প করার সুবিধা। আর স্থাণী প্রশিক্ষিতদের সাথে হোম স্টে সুবিধা।

Published : আগস্ট ২৪, ২০১৭ | 838 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798