মুক্তা ও মুক্তা ব্যবস্থাপনা

Published : আগস্ট ১৮, ২০১৭ | 1410 Views

মুক্তা ব্যবস্থাপনা বা মুক্তা শোধন

মুক্তা সবচেয়ে সুন্দর রত্নগুলোর একটি  তবে বিভিন্ন রকমের মুক্তা খুঁজলে মোটামোটি পাওযা যায়। সমুদ্রের জীব থেকে তৈরী হয় বলে মুক্তাকে বলা হয় জৈব রত্ন।  প্রকৃতি থেকে তৈরী বলে এটা একেবারে যথার্থভাবে তৈরী হয়ে আসেনা একে সুন্দরতম করে করে নিতে হয়।

মুক্তার ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল ট্রেড কমিশনের নীতি গ্রহণযোগ্য বলা যায়। মুক্তা থেকে লব্দ  চিকিৎসা এবং কাংখিত উন্নতি যে ধারণা রত্নশাস্ত্রে দেয়া হয় তা প্রনিধান যোগ্য বলে ধরা হয়।  এমনকি এই মানগুলি ইউরোপীয় দেশগুলিতেও প্রচলিত।

 

মুক্তা শোধন

অনেক সময় মোচড়ের উপর ব্লিচিং বা একটি হাইড্রোজেন পারক্সাইড মিশ্রণ ব্যবহার করা হয় যাতে আরও মসৃন মুক্তা তৈরি করা যায়। জাপানের অনেক মুক্তা এবং চীনা আকোজা মুক্তো সবসময় পরিশুদ্ধ করা হয়।  মুক্তো দীর্ঘ সময়ের জন্য সমাধানটি স্থাপন করা হয় যা জৈব মুক্তার সামগ্রিক রঙও পরিবর্তন করে।এই ব্লিচ প্রক্রিয়ায় মুক্তা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হয় বা কমে যায় বলা যায় মুক্তার কিছু অংশ খেয়ে ফেলে। সাধারণত   7 থেকে 10 দিনের মধ্যে হয় মুক্তার গায়ে সাদার মতো একটি আবরণ মতো হয়।

 

গোলাপীয়ান

কিছু মুক্তো একটি গোলাপী রং দিয়ে  আবরণ দেয়া হয় করা হয় যাতে সেগুলোকে মিস্টি একটি গোলাপী ওভারটোন দেয়। এই পিংক বা মিস্টি গোলাপী রংটি খুব আকাংখিত কারণ সাদামত মুক্তা কিংবা নীলাভ মুক্তার চেয়ে গোলাপীমুক্তা অধিক সুন্দর।

 

মুক্তাকে রঙীন করার জন্য যখন ডোবানে হয় সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের মুক্তো  ভিন্ন ভিন্ন ফল দেখায়, তাই এটা জরুরী যে মুক্তা রং এ ছোপানোর সময় ক্রমাগত পরীক্ষা করতে হয়, তখন একটা বিষয় নিশ্চিত হতে হয় যে, আপনি যে রঙ করতে চাচ্ছেন সেটা যেন মুক্তার গায়ে থাকে।

 

সিলভার নাইট্রেড দিয়ে কৃত্রিমভাবে শিল্পরুপ রঞ্জন করা মা মুক্তাকে মানে অশোধিত ও কাঁচা মুক্তাকে কখনো কখনো রঙের অন্ধকারে সিলভার নাইট্রেট দিয়ে শোধন করা হয়।  রঙ যখন গাঢ় হয় তখন সিলভার নাইট্রেট মুক্তার বাইরে একটি ছোট পরিমাণ সিলভারকে বের করে আনে, তবে মুক্তার কেন্দ্রটি মূল রঙের অংশ দেখায় তখন এক ধরনের শৈল্পিক অবয়ব তৈরী হয়।

 

 

তাহিতিয়ান মুক্তা

তাহিতিয়ান মুক্তো সাধারণত অপ্রচলিত বা খুব প্রচলিত নয়। কারণ উৎপাদন খুব শক্তহাতে নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু এই নিয়মটি ডার্ক চকোলেট মুক্তোর জন্য ব্যতিক্রম যেগুলো রঞ্জিত থাকে।

 

দক্ষিণ সাগর মুক্তাতাহিতিয়ান মুক্তার মতো দক্ষিণ সমুদ্রের মুক্তাকে সাধারণত ট্রিটমেন্ট বা কোনো বাড়তি কিছু করা হয় না। তবে এখানেও  একমাত্র ব্যতিক্রম হবে সোনালী মুক্তা। এই সোনালী মুক্তা প্রাকৃতিকভাবেই সোনালী হয়ে যায় কিন্তু কোন মুক্তাটি প্রাকৃতিকভাবে সোনালী হবে তা সনাক্ত করা কঠিন আর তাই এই ট্রিটমেন্টাও জটিল হয়ে যায়।   চীনা পরিষ্কার জলঘটিত মুক্তানিরাপদ করার জন্য প্রায় সব মিঠা পানির মুক্তোকে রঞ্জিত বলে মনে করা উচিত। এই ধরনের মুক্তো বেশী পরিমানে হলে তখন ট্রিটমেন্টগুলো সহজ হয় এবং বেশী রঙের পরিবর্তন হয়।

 

মুক্তা খামার

খামারের মধ্যে মুক্তা বেশী শ্রেণীতে বিভক্ত হয় ৭টি মূল কারণ রয়েছে:1. আকার: বড় বড় আকার হলে2. আকৃতি: গোলাকার, সমান্ত্রিক, এবং কিম্ভুতাকার। তবে গোলাকার এবং সমান্ত্রীয় মুক্তো সবচেয়ে মূল্যবান3. রঙ: শারীরিক রং, তবে প্রভাবশালী রং হল ওভারটোন ও মুক্তোর মধ্যে উপস্থিত অন্যান্য স্বচ্ছ রং।4. উজ্জলতা: পৃষ্ঠতল মসৃন হলে বেশী পরিমাণ আলো প্রতিফলিত হয়। ভালো মুক্তার জন্য এটা দরকার। 5. পৃষ্ঠতল অনুসারে শ্রেনীবদ্ধকরণ:  এই মুক্তার পৃষ্ঠতল এমন দেখায় যাতে চোখে দেখে মুক্তার সংখ্যা নির্ণয় করা যায় না।6. ঝিনুকের গুনগত মান: শীর্ষ মানের মুক্তার একটি সূক্ষ্ম ঝিনুক মান আছে। মানে ভালো মানের ঝিনুক থেকে ভালো মানের মুক্তা হয়। 7. ম্যাচিং: যখন একটি মানসম্পন্ন মুক্তা কেনা হয় এটা গুরুত্বপূর্ণ হলো এর ম্যাচিং বা মিল খুজে বের করা।

 

সূত্র: বিদেশী ওয়েবসাইট

Published : আগস্ট ১৮, ২০১৭ | 1410 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798