নীলফামারীতে ২০ ফুট প্রশস্থ ভীমের মায়ের চুলা

Published : মে ১৩, ২০১৭ | 1047 Views

ভিমের মায়ের চুলা

দর্শনীয় স্থান: ভীমের মায়ের চুলা

কিশোরগঞ্জ থানা কমপ্লেক্সের উত্তর-পশ্চিম দিকে ২০০শত মিটার দূরে “ভীমের মায়ের চুলা” বা “ভামের আখা” অবস্থিত। তিনদিক উঁচু মৃৎ-প্রাচীর বেষ্টিত একটি স্থাপনা যার প্রাচীরের উপরের তিনটি স্থান অপেক্ষাকৃত উঁচু। এর ভিতরের অংশ গভীর ও বাইরের তিনদিক প্রায় ২০ ফুট প্রশস্থ পরিখা বেষ্টিত। ফলে আবিস্কৃত স্থাপনাটি চুলার আকারে পরিদৃষ্ট হয়। এর পূর্ব-দক্ষিণ কোনে একটি বাঁশবাড়ি রয়েছে। চুলার ব্যবহার্য জ্বালানী/ খড়ির উদ্ধৃতাংশ এখানে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, সেই উদ্ধৃত বাঁশের মুড়া থেকে এ বাঁশ গজিঁয়ে উঠেছে। এর দক্ষিণ পাশেই “মারগলা” নদী হিসাবে প্রবাহিত। কিংবদন্তী রয়েছে ৭টি মহিষের ভর্তা ভীমের এক সন্ধ্যার খাবারেই পরিবেশিত হয়েছিল।

রামপালের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কৈবর্ত রাজ ভীম একটি বনের পাশে একটি দূর্গ নির্মাণ শুরু করেছিলেন। কিন্তু যুদ্ধ সমাপ্ত বা যুদ্ধের গতি পরিবর্তনের কারণে অসম্পূর্ণ এটি পরিত্যক্ত হয়। কিশোরগঞ্জ থানা কমপ্লেক্সে এলাকাটি এক সময় গভীর বন ছিল বলে জানা যায়। কারো মতে ফকির মুসা শাহ এর শীর্ষদের নৌ-স্থল বিষয়ক যুদ্ধ বিদ্যা প্রশিক্ষণের জন্য এটি ক্ষণন করা হয়েছিল। কারো মতে এটি নিরাপত্তা চৌকি বিশেষ। কারণ পূর্ব পাশে যাওয়ার রাস্তাটি অতি প্রাচীন যা দিয়ে বহিরশত্রু আক্রমণের আশংকায় মুল দুর্গের দূরবর্তী স্থানে নির্মিত এটি নিরাপত্তা চৌকি হওয়া বিচিত্র নয়।

তবে গঙ্গাচড়া থানার খাপড়িখাল গ্রামে “ভীমের থালা” এবং এর অদূরে “ভীমের নাখুড়ি” উক্ত ভীমের মায়ের চুলা ও এর পাশের “মারগলা” নদী কিংবদন্তী হয়ে মহা বীর ভীমের স্মৃতি বহন করছে। অনেক ঐতিহাসিকের ধারণা এখানে ভীম নামে কোন রাজার আবির্ভাব ঘটেছিল যা হিন্দু শাস্ত্রের উল্লেখিত ভীম নয়।

সংগৃহিত:- খলিলুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ও ব্যবসায়ী।

Published : মে ১৩, ২০১৭ | 1047 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798