আমদহ গ্রামের প্রাচীন নিদর্শন , মেহেরপুর

Published : এপ্রিল ২৬, ২০১৭ | 1688 Views

আমদহ গ্রামের স্থাপত্য নিদর্শন

তরুন ঘুরবাজ লোকদের মতে বাংলাদেশে দেশে প্রায় ৮০০ ট্যুুরিজম স্পট রয়েছে। এর মধে ৪০০ এর মতো হলো প্রাচীন প্রত্নতাত্বিক নিদর্শণ। এবং ৪০০ এর মতো রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত স্থান। তবে আধুনিক কালের কিছু স্থাপনা মিলিয়ে এই সংখ্যা এক হাজারের কম বেশী হয়ে থাকবে।  আজ আমরা মেহেরপুর জেলার প্রত্নতত্ব স্থানগুলো নিয়ে আলোচনা করতে চাই।

মুক্তিযুদ্ধের সময় মেহেরপুরে পাকিস্তান বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সংঘটিত বেশ কিছু প্রাথমিক যুদ্ধের সাক্ষী। এখানে অনেক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম কমান্ড, দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড গঠিত হয়েছিল। পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর আম্রকাননে শপথ গ্রহণ করে অস্থায়ী সরকার গঠন করে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করে।

মেহেরপুর জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ন নিদর্শন মেহেরপুর শহর থেকে ৪ কিঃমিঃ পূর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত আমদহ গ্রামের স্থাপত্য কীর্তি। আমদহ গ্রামের এই স্থাপত্য শৈলীর ধ্বংসাবশেষকে রাজা গোয়ালা চৌধুরীর সাথে বগা দস্যুদের যুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত আবাসস্থল বলে মাসিক পত্রিকা সাধক এর ১৩২০ (১ম বর্ষ ১ম সংখ্যা) সংখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে। প্রায় এক বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই প্রত্নস্থানের চারিদিকে ছিল পরীখা। কিন্তু পরিখার বেষ্টনীতে কোন প্রাচীর ছিল না। এখন এই প্রত্নস্থানের কোন চিহ্ন খুজে পাওয়া যায় না। তবে এখানকার মাটির নীচ থেকে উদ্ধার করা একটি প্রত্মতত্ব পুরাতন জেলা প্রশাসক ভবনের সামনে স্থাপন করা হয়েছে।

কিভাবে যাবেন:   ঢাকা থেকে মেহেরপুর পৌঁছাতে ৬ ঘন্টা   থেকে ৭ ঘন্টা   সময় লেগে যেতে পারে। মেহের পুর উপযুক্ত সময় অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে বছরের যে কোনো সময়েই ভ্রমণ করা যেতে পারে। রাজধানী ঢাকা থেকে মেহেরপুর সদরের দূরত্ব ৩১২ কিলোমিটার। যাতায়াতের দুটি পথ রয়েছে। গাবতলী থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া হয়ে মেহেরপুর অথবা গাবতলী থেকে যমুনা সেতু হয়ে মেহেরপুর গমন। ভাড়া ৩৫০/- থেকে ৪০০/- টাকা। অতঃপর মেহেরপুর থেকে লোকাল বাসযোগে মুজিবনগর গমন। দূরত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার। ভাড়া জনপ্রতি ২০ টাকা। প্রধান প্রধান পরিবহন সংস্থা: পূর্বাশা, চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, দর্শনা ডিলাক্স, এম. এম. পরিবহন, মেহেরপুর ডিলাক্স, শ্যামলী পরিবহন, জে.আর পরিবহন প্রভৃতি।

থাকার জন্য: মেহেরপুর জেলা শহরে হোটেল রয়েছে। এখানকার প্রধান পর্যটন আকর্ষণ মুজিব নগর স্মৃতিসৌধ। এখানে রয়েছে থাকার ভালো ব্যবস্থা।

Published : এপ্রিল ২৬, ২০১৭ | 1688 Views

  • img1

  • এপ্রিল ২০১৭
    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    « মার্চ   মে »
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • Helpline

    +880 1709962798