বেড়াই চট্টগ্রাম

Published : এপ্রিল ১৭, ২০১৭ | 2122 Views

বেড়াই চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে বেড়ানোর অনেক জায়গা। অল্পসময়ে বেড়ানো সম্ভব নয়। এর কিছু স্থানের খবর আমরা জানি কিছু জানি না। আজ জানা অজানা স্থানগুলো নিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে জানাবো কিছু তথ্য। যদিও এসব অধিকাংশ পর্যটন স্থান সম্পর্কে পাঠক জানেন। এ পর্বে চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক স্থানসমূহের উপর আলোকপাত করবো।

ফয়েজ লেক  চিড়িয়াখানা:

ফয়েজ লেক ব্রিট্রিশ আমলে তৈরী করা কৃত্রিম লেক। কিন্তু দেখে মনে হবে প্রাকৃতিক। নৈসর্গিক সৌন্দর্যমন্তিত ফয়স লেক। শত শত বছরের ধরে প্রকৃতি প্রেমীদের মন ভেজাচ্ছে। বর্তমানে নানারকম রাইড সংযোজনে করে একে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে রুপ দেয়া হয়েছে। প্রবেশ মূল্য ২০০ টাকা। রয়েছে অসংখ্য রাইড ও বিনোদন ব্যবস্থা। ভেতরে রেস্টুরেন্ট ছাড়াও আছে বিলাসবহুল হোটেল।

লেকে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম শহরের যেকোনো স্থান থেকে বাস বা অটোরিক্সা ব্যবহার করা যেতে পারে। ফয়ে’স লেক পাহারতলী রেলওয়ে স্টেশনের পূবে ও খুলশী আবাসিক এলাকার পশ্চিমে অবস্থিত। চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা রয়েছে তার পাশে।  পাহাড়ের পাদদেশে এক সুন্দর এলাকায় দুটোর অবস্থান।
জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর

বাংলাদেশ ও ভারতীয় উপমহাদেশ এর বিভিন্ন জাতির জীবন। তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র ও পোষাকাদী রয়েছে এই জাদুঘরে। রয়েছে বিভিন্ন উপজাতির জীবন যাত্রার চিত্র। তাদের অলংকার বাসন কোসন এবং ডামি রেপ্লিকা। জ্ঞান অর্জনের জন্য এটা খুব ভালো জায়গা। নগরীর প্রাণকেন্দ্র আগ্রাবাদে এটি অবস্থিত। জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর (চট্রগ্রাম) উক্ত দশর্নীয় স্থানে যাওয়ার জন্য বাস বা অটোরিক্সা ব্যবহার করা যেতে পারে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত ।


পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার, সুন্দরবনব ও কুয়াকাটার পর এটি দেশের পঞ্চম সুন্দর সমুদ্র সৈকত। শহর থেকে কাছে বলে এখানে পর্যটকদের ভিড় থাকে সারা বছর। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত যাওয়ার জন্য বাস বা অটোরিক্সা ব্যবহার করা যেতে পারে। চট্টগ্রাম শহর থেকে কাঠগড় বাজার হয়ে বাস ও ছোট যানবাহন চলাচল করে। আগে কাঠগড় বাজারের পরে বাস না গেলেও চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তজাতিক বিমান বন্দর তৈরী হওয়ার পর এখন সমস্যা কেটে গেছে।


চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নিহত সৈনিকদের কবর। কমনওয়েলথ এর তত্বা্ধানে বাংলাদেশে দুটি ওয়ার সেমিট্রির একটি এটি। নগরীর জিইসি মোগ থেকে কাছে। চট্টেশ্বরী মোড় কিংবা চক বাজার হয়েও যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম চারুকলা কলেজের ধারঘেষে পাহাড়ের পাদদেশে এর অবস্থান। সবুজ ঘাষ আর গাছ দিয়ে ঘেরা ওয়ার সিমেট্রি শুধু ঐতিহাসিক স্থান নয় দেখতেও সুন্দর।

বায়েজিদ বোস্তামীর প্রতিকী মাজার

নগরীর নাসিরাবাদ পার হয়ে ষোলশহর ২নং গেট এর কাছে বায়েজিদ বোস্তামীর মাঝার। এখানে রয়েছে মাঝার ও একটি রহস্যময় পুকুর। যেখানে বায়েজিদ বোস্তামীর পালিত কচ্ছপের বংশধরেরা থাকে। প্রতিদিন বহু দর্শনাথী এখানে ভিড় জমায়। বায়েজিদ বোস্তামী মূলত ইরানের একজন মনীষী। মজার ব্যাপার হলো এই সমাধির অবয়ব সর্বপ্রথম ১৮৩১ সালে পাহাড়ের উপরিভাগে একটি দেয়ালঘেরা আঙ্গিনার মাঝে আবিস্কার করা হয়। আঙ্গিনার ঠিক মাঝামাঝি একটি শবাধার অবস্থিত। পরবর্তীতে সমাধিস্থলটি আধুনিক কাঠামো দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। সমাধি পাহাড়ের পাদদেশে একটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ঠ মোঘলরীতির আয়তাকার মসজিদ এবং একটি বিশালাকার দীঘি আছে। স্থাপত্যশৈলী থেকে ধারণা করা হয় মোঘল সম্রাট আলমগীর এর আমলে মসজিদটি নির্মিত। ইরানের খোরাসান প্রদেশে বায়েজিদ বোস্তামীর প্রকৃত মাঝার রয়েছে। এই মাঝারটি মূলত প্রতীকি। বায়েজিদ বোস্তামী চট্টগ্রামে এসেছেন এমন শক্তিশালী প্রমাণ ইতিহাসে নাই।

 

জিলাপী পাহাড়:

চট্টগ্রামের প্রাণ কেন্দ্র টাইগারপাস এলাকায় বাটালি হিলের অবস্থান। এটি এই শহরের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়। উচ্চতা প্রায় ২৮০ ফুট। লালখান বাজার এলাকার ইস্পাহানি মোড়ের উত্তরে ফাহিম মিউজিকের পাশ ঘেঁষে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কলোনির পেছন দিয়ে পিচঢালা সড়কটি বাটালি হিলের চূড়ায় উঠার পথ। এটি জিলাপির প্যাঁচের মত আঁকা-বাঁকা বলে এর নামকরণ হয়েছে জিলাপি পাহাড়। এর সর্বোচ্চ চূড়াটিকে বলা হয় শতায়ু অঙ্গণ। বাটালি হিলের সর্বোচ্চ চূড়ায় উঠলে পুরো চট্টগ্রাম শহর দেখা যায়। বন্দরসহ শহরের বড় একটি অংশ অবলোকন করা যায়। পাহাড়ের চূড়ায় বসে সূর্যাস্তের দৃশ্যটি অপরূপ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাটালি পাহাড়ের চূড়ায় বিমান বিধ্বংসী কামান স্থাপন করা হয়েছিল। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, প্রতিদিন সকাল এবং বিকালে নানা বয়সী শত শত মানুষ এখানে হাঁটে। কেউ কেউ বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতে সেখানে যায়। অনেক দূর-দূরান্ত থেকেও লোকজন এই পাহাড়টি দেখতে আসে। পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে চট্টগ্রাম শহরের দৃশ্য অবলোকন করে।

চেরাগী পাহাড়:

ঐতিহাসিকদের মতে, পাথরে চড়ে বদর আউলিয়া এ চেরাগী মোড়েই ‘চাটি’ পরিমাণ জায়গা চেয়ে নিয়েছিলেন তখনকার সময়ে এ অঞ্চলের অধিপতি জ্বীন, দৈত্য-দানবদের কাছ থেকে। তিনিই চেরাগী মোড়ে চেরাগ জ্বালিয়ে গোড়াপত্তন করেন চট্টগ্রাম শহরের। সে থেকে প্রতিনিয়ত মিট মিট করে জ্বলছিল সে ‘চেরাগ’। এটা আন্দরকিল্লার পাশে অবস্থিত।

 

আমানত শাহর মাঝার

তিনি বিহার শরীফ থেকে এখানে আসেন বলে জনশ্রুতি আছে। চট্টগ্রামে তিনি একটি কুটিরে বসবাস করতেন এবং জজকোর্টে পাখা টানার চাকরি গ্রহণ করেন। সামগ্রিক অবস্থার নিরিখে আঠারো শতকের শেষ দিকে তাঁর আবির্ভাব ঘটে বলে মনে করা হয়। শাহ আমানতের মাজার প্রাঙ্গণে যে পরিবারটি বসবাস করে এবং মাজারের তত্ত্বাবধান করে, তারা নিজেদের শাহ আমানতের বংশধর বলে দাবি করে। তাদের নিকট শাহ আমানতের পুত্র আনোয়ার খানের একটি ওয়াক্ফনামা আছে।

হজরত শাহ আমানত অত্যন্ত অনাড়ম্বর জীবন যাপন করতেন। কোর্টে দায়িত্ব পালন এবং আরাধনায় নিয়োজিত থাকা ছিল তাঁর দৈনন্দিন বাঁধাধরা কাজ। তিনি যে আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী তা কেউ জানত না। তাঁর আধ্যাত্মিক সিদ্ধির কথা প্রকাশ পেলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে নিজেকে আরাধনায় নিয়োজিত রাখেন এবং চট্টগ্রামের বিখ্যাত দরবেশদের একজন রূপে গণ্য হন। বিশেষত মামলা মোকদ্দমার ব্যাপারে লোকজন তাঁর অনুগ্রহ লাভের উদ্দেশ্যে তাঁর মাজার জিয়ারত করে। চট্টগ্রামের লালদিঘির পূর্ব দিকে এক সমাধিসৌধে হজরত শাহ আমানত সমাহিত আছেন। (বাংলা পিডিয়া)

আন্দরকিল্লা শাহী মসজিদ

চট্টগ্রামের চাটগছার আন্দরকিল্লার সাথে মোঘলদের চট্টগ্রাম বিজয়ের কাহিনী সম্পর্কিত। এই কিল্লা বা কেল্লায় মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের আস্তানা ছিলো। ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দের ২৭শে জানুয়ারি শায়েস্তা খাঁ’র ছেলে উমেদ খাঁ এই আন্দরকিল্লার অন্দরে বা ভিতরে প্রবেশ করলে এর নাম হয়ে যায় “আন্দরকিল্লা”। চট্টগ্রাম বিজয়ের স্মৃতি ধরে রাখতে সম্রাট আওরঙ্গজেবের নির্দেশে শায়েস্তা খাঁ ১৬৬৭ খ্রিস্টাব্দে এখানে নির্মাণ করেন “আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ”।

১৭২৩ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রামের আরেক শাসনকর্তা নবাব ইয়াসিন খাঁ, এই জামে মসজিদটির কাছাকাছি, পাহাড়ের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের একটি টিলার উপর আরেকটি পাকা মসজিদ নির্মাণ করে তাতে “কদম-রসূল” রাখলে সাধারণ্যের কাছে ঐ মসজিদটি গুরুত্ব পেয়ে যায় এবং আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ লোকশূণ্য হয়ে পড়ে। ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে তাই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, এই মসজিদটিকে গোলাবারুদ রাখার গুদাম হিসেবে ব্যবহার করতে থাকে। ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে ঐতিহাসিক হামিদুল্লাহ খাঁ’র আবেদনের প্রেক্ষিতে মসজিদটি মুসলমানদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হয়।

৬৬৭ সালে এই মসজিদ নির্মাণের পর থেকেই চট্টগ্রামের ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান হয়ে উঠে আন্দরকিল্লার এই মসজিদ। এই মসজিদের ইমাম/খতিব নিযুক্ত হতেন পবিত্র মদিনার আওলাদে রাসুল (রাঃ) গন। ফলে অল্পদিনের মধ্যেই এই মসজিদ জনপ্রিয় হয়ে পড়ে। এ পর্যন্ত ১৬ জন আওলাদে রসুল এ মসজিদের খতিবের দায়িত্ব পালন করেন।

চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার

চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারচট্টগ্রামেরনন্দনকাননেঅবস্থিত। বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি১৮৮৯খ্রিস্টাব্দে এই বিহার প্রতিষ্ঠা করে। এই বিহার বাংলাদেশের বৌদ্ধদের অন্যতম পূণ্যস্থান হিসাবে বিবেচিত হয়।

ইতিহাস

শতাব্দী পুরাতন বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির (তৎকালীন চট্টগ্রাম বৌদ্ধ সমিতি) প্রথম সভাপতি শ্রীমৎ উ. গুনামেজু মহাথের এবং সাধারণ সম্পাদক নাজিরকৃষ্ণ চৌধুরী বিহার স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। প্রাথমিকভাবে ভক্ত এবং পূজারীদের আর্থিক সহযোগিতায় ভবনটির একতলা নির্মিত হয়। ১৯০৩সালে চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লাস্থ রংমহলপাহাড়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালনির্মাণের জন্য মাটি খননকালে একটা পুরাতন বৌদ্ধ মূর্তি পাওয়া যায়। বিহারেরসে সময়ের অধ্যক্ষ অগ্‌ গমহা পন্ডিত-উ-ধম্মবংশ মহাথের এর তৎপরতার কারণে মূর্তিটি বঙ্গীয় সরকার এ বিহারে প্রদান করে। বিহারের মূল ভবনটির পাশেই অপর একটি মন্দিরে মূর্তিটি স্থাপন করা হয়। এটি “বুড়াগোঁসাই মন্দির” নামে পরিচিত।

চট্টেশ্বরী মন্দির

শ্রী শ্রী চট্টেশ্বরী কালী মায়ের বিগ্রহ মন্দিরবাংলাদেশের বিখ্যাত হিন্দু মন্দিরসমূহের মধ্যে অন্যতম। জনশ্রুতি মতে, প্রায় ৩০০-৩৫০ বছর পূর্বে আর্য ঋষি যোগী ও সাধু সন্ন্যাসীদের মাধ্যমে শ্রী শ্রী চট্টেশ্বরী দেবীর প্রকাশ ঘটে। এটি বাংলাদেশের বন্দর নগরী চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরী সড়কে তিন পাহাড়ের কোনে অবস্থিত।

মূল রাস্তা থেকে একটু উঁচুতে সিঁড়ি দিয়ে উঠে মধ্যের বাঁধানো চত্বরটির বাঁদিকে কালী মন্দির ও ডানদিকে শিব মন্দির। শিব মন্দিরের পাশে রয়েছে একটি কুন্ড।

কদম মোবারক মসজিদ,কদম মোবারক,চট্টগ্রাম

মোগল-আমলের অনুপম পুরাকীর্তি মোমিন সড়কের কদম মোবারক মসজিদ। এ মসজিদটি চসিক-এর অধীন জামালখান ওয়ার্ডে অবস্থিত। এই মসজিদ সংলগ্ন এলাকাটিও ‘কদম মোবারক’ নামে পরিচিত। কদম মোবারক নামটি এসেছে দুটি পাথরের পবিত্র পদচিহ্ন থেকে। এ মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে দুটি ছোট কামরা আছে। উত্তর দিকের কামরায় হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর ডান পায়ের ছাপ বিশিষ্ট প্রস্তরখণ্ড সংরক্ষিত আছে। এর পাশে রয়েছে বড়পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানি (র.)-এর পদচিহ্ন। কথিত আছে, মসজিদের প্রথম মুতওলি ইয়াছিন মুহাম্মদ খান পবিত্র মদিনা শরিফ থেকে মহানবী (স.)-এর কদমের ছাপ সংগ্রহ করেছিলেন। উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত আয়তাকার মসজিদটি পাঁচ গম্বুজের। একটি বড় গম্বুজ আর দুপাশে দুটি ছোট গম্বুজ য।র উত্তর ও দক্ষিণে চারকোনা আরও দুটি গম্বুজ রয়েছে। সামনের দেয়ালের মাঝের দরজার দুপাশে আছে খিলান দেওয়া তিনটি দরজা। দরজা-সোজা ভেতরে পশ্চিম দেয়ালে …আছে তিনটি মেহরাব। স্থাপত্যের ক্ষেত্রে মোগলেরা খিলান গম্বুজ ও খিলান ছাদকে প্রাধান্য দিত। লতাগুল্মের নকশা, আরবি ক্যালিওগ্রাফি, জ্যামিতিক রেখাচিত্র, মোজাইক নকশা বসানো পাথরের সাজে সজ্জিত মসজিদটি।

এছাড়া ডিসিহিল, সিআরবি হিল, জিয়া উদ্যানসহ আরো বেশকিছু দেখার মতো জায়গা রয়েছে চট্টগ্রাম শহরেই।

সম্পাদনা: জাহাঙ্গীর আলম শোভন

 

 

Published : এপ্রিল ১৭, ২০১৭ | 2122 Views

  • img1

  • এপ্রিল ২০১৭
    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    « মার্চ   মে »
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • Helpline

    +880 1709962798