তেতুলিয়া জামে মসজিদ: সাতক্ষীরার অনন্য স্থাপনা

Published : এপ্রিল ৪, ২০১৭ | 1393 Views

সাতক্ষীরা ভ্রমণ

তেতুলিয়া বলতে টেকানাফ থেকে তেঁতুলিয়ার সে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা নয়। এটা সাতক্ষিরা জেলার তেতুলিয়া গ্রাম। এছাড়া দিনাজপুরেও অবশ্য একটা তেতুলিয়া ইউনিয়ন আছে।  যাই হোক কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান এর গ্রাম তেতুলিয়ার এই সুন্দর ও ঐতিহাসিক মসজিদটি সম্পর্কেজানা যাক।

তেতুলিয়া জামে মসজিদ, খান বাহাদুর সালামতুল্লাহ মসজিদ এবং তেতুলিয়া শাহী মসজিদ নামেও পরিচিত, বাংলাদেশের সাতক্ষিরা জেলার তালা উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামে অবস্থিত। খান বাহাদুর মৌলভী কাজী সালামাতুল্লাহ খান, তেতুলিয়ার জমিদার কাজী পরিবারের বংশধর এই মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। ছয় গম্বুজ বিশিষ্ট্য এই মসজিদটি মুঘল স্থাপত্য নিদর্শন অনুকরণ ১৮৫৮-৫৯ সালে নির্মাণ করা হয়। দেখতে অনেকটা টিপু সুলতানের বংশধরদের আমলে তৈরীকৃত বিভিন্ন স্থাপনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
১৯৮২ সালে সিংহ দরজা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়, যা সালাম মঞ্জিলের প্রবেশপথ ছিল। এই তোরণ দিয়ে প্রবেশের সময় ভ্রমনকারী সবুজের সমারোহ অবলোকন করতে পারে। কমপাউন্ডে পাশে একটি ঝুলন্ত ছাদের নিচে একটি দীর্ঘ বারান্দা আছে যা দ্বী-স্তম্ভ দ্বারা দাঁড়িয়ে আছে। বারান্দাটি অনেকটা দেখতে কার্যসভার মত দেখতে। যা পূর্বে দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হত যখন এই জমিদার বংশ ক্ষমতায় ছিল। পূর্বে এক বা একাধিক বারান্দার কোনার কক্ষ ছিল যেখানে পালকী রাখা হত।
মধ্য ঊনবিংশ শতকে বাংলার একটি প্রত্যন্ত গ্রামে এই ধরনের দ্বী-স্তম্ভবিশিষ্ট্য স্থাপনা খুবই কম ছিল। এই দ্বী-স্তম্ভ সিস্টেমটি পুরো ছাদকে ধরে রাখার প্রয়োজনে নির্মিত হয়। মেঝে থেকে ছাদের উচ্চতা কমপক্ষে ১০.৫ ফুট।
বর্তমানে সিংহ দরজা” নতুন ধরনে পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। যদিও সালাম মঞ্জিলের বাকি অংশ এখনো ধ্বংসপ্রাপ্ত।

Published : এপ্রিল ৪, ২০১৭ | 1393 Views

  • img1

  • এপ্রিল ২০১৭
    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    « মার্চ   মে »
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • Helpline

    +880 1709962798