নোয়াখালীর দর্শনীয় স্থান

Published : মার্চ ২৫, ২০১৭ | 6142 Views

নোয়াখালীর দর্শনীয় স্থান

জাহাঙ্গীর আলম শোভন

যদি বলি নোয়াখালীতে আসলে নোয়াখালী বলে বনে এলাকা নেই। মানে নোয়াখালী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার নিজ নামে কোন শহর নেই। নোয়াখালী জেলা শহর এর নাম মাইজদী নামে পরিচিত। নদীগর্ভে মূল শহর বিলীন হয়ে গেলে ১৯৫০ সালে জেলার সদর দপ্তর  মাইজদীতে স্থানান্তর করা হয়।  নোয়াখালী জেলার প্রাচীন নাম ছিল ভুলুয়া। নোয়াখালী সদর থানার আদি নাম সুধারাম।   ১৬৬০ সালে এখানকার কৃষি উন্নয়নের জন্য বিশাল খাল খনন করা হয়, এরপর এই এলাকা  “নোয়াখালী” হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করে এবং ১৮৬৮ সালে ভুলুয়ার পরিবর্তে নোয়াখালী নাম ব্যবহার দাপ্তরিকভাবে শুরু হয়।

এই জেলার প্রধান নদী মেঘনা. এছাড়াও উল্লেখযোগ্য নদ-নদীর মাঝে ছোট ফেনী, ডাকাতিয়া অন্যতম। ডাকাতিয়া ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য হতে কুমিল্লার বাগছাড়া দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ডাকাতিয়া নদীর দৈর্ঘ্য ২০৭ কিমি. যার মধ্যে ১৮০ কিমি কুমিল্লায় ও ২৭ কিমি নোয়াখালীতে প্রবাহিত হয়েছে। ছোট ফেনী নদী ভারতের ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চল হতে কুমিল্লার দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুমিল্লার গুনবতি নামক স্থান দিয়ে নোয়াখালীতে প্রবেশ করেছে।

এই জেলার উল্লেখযোগ্য পর্যটন স্থানের মধ্যে রয়েছে নিঝুম দ্বীপ,  শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম, বজরা শাহী মসজিদ, গান্ধি আশ্রম , ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, চর জব্বর,  বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর, সোনাইমুড়ী, মহাত্মা গান্ধী জাদুঘর, আমতলী মেলা, নলদিয়া মেলা, মূসাপুর বেড়িবাঁধ, ভূঞার দিঘী, চর এলাহি, সূবর্ণচর।

নিঝুম দ্বীপ

নিঝুম দ্বীপ বঙ্গোপসাগরের কোলো জেগে ওঠা এক নিঝুম অঞ্চল নিঝুম দ্বীপ। প্রথমে স্থানীয় জেলেরা দ্বীপটি আবিষ্কার করে।  শীতকালে এখানে হাজার হাজার অতিথি পাখির সমাবেশ ঘটে। জেলেদের ধরা নানারকম মাছ শুকানোর জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান হিসেবে ব্যবহƒত হতে থাকে। নিঝুম দ্বীপে ছয়টি বড় বাজার আছে। বাজারগুলিতে প্রধানত চাল-ডাল ও ঔষধের দোকান, মনোহারী সামগ্রীর দোকান ও কিছু খাবারের দোকান আছে। গোটা দ্বীপাঞ্চলে শুধু এই বাজারগুলিতেই জেনারেটর উৎপাদিত বিদ্যুতের ব্যবস্থা আছে আছে সৌর বিদ্যুৎ। বাংলাদেশ সরকারের বন বিভাগ নিঝুম দ্বীপে উপকূলীয় বনাঞ্চল গড়ে তুলেছে। এখানে বনবিভাগের একটি বাংলোও রয়েছে।এখানকার বন এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার চিত্রা হরিণ আছে। গাছগাছালির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গাছ কেওড়া, যা স্থানীয়ভাবে কেরফা নামে পরিচিত।

এই দ্বীপে রয়েছে প্রচুর হরিণ, যা বনবিভাগ দেখাশোনা করে। আগামীদিনে নিঝুম দ্বীপ একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। ২০০১ সালে বাংলাদেশ সরকার নিঝুম দ্বীপের বনাঞ্চলকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করেছে।

কিভাবে যানে:

ঢাকার সদরঘাট থেকে প্রতিদিন  হাতিয়ার উদ্দেশে লঞ্চ ছাড়ে সন্ধ্যা ৬টায়। নিঝুম দ্বীপে পর্যটকদের থাকার জন্য অবকাশ পর্যটন নির্মাণ করেছে বন বিভাগের বাংলো ছাড়াও নিঝুম রিসোর্ট  এবং নামার বাজার মসজিদ কতৃপক্ষ নির্মাণ করেছে মসজিদ বোর্ডিং।

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন এর বসতভিটা

এখারে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় নূর মোহাম্মদ এর বসতভিটা স্মৃতি চিহ্ন। নোয়াখালী শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে সোনাইমুড়ী উপজেলা। সেখান থেকে সাত কিলোমিটার পশ্চিমে বাগপাঁচড়া গ্রামকে লোকজন আমিননগর নামেই চেনে। ২০ জুলাই ২০০৮ সালে এখানে রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর স্থাপন করা হয়।

গান্ধী আশ্রম

তৎকালীন জমিদার প্রয়াত ব্যারিস্টার হেমন্ত কুমার ঘোষের বাড়িতে উক্ত গান্ধী আশ্রম স্থাপিত হয়। বর্তমানে গান্ধী আশ্রম নোয়াখালীর একটি সেবামূলক সংগঠন হিসেবে দেশব্যাপী খ্যাতি লাভ করেছে। ব্যতিক্রমধর্মীএ প্রতিষ্ঠানটির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস সম্পর্কে যতটুকু জানা যায়, ১৯৪৬- এরশেষভাগে সারা ভারতবর্ষের সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ে। তখনপশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রভাব এসে পড়ল নোয়াখালীতে। বিশেষ করে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানায় সাম্প্রদায়িকতার তান্ডবলীলা দেখা দেয়। মশালের আগুনে পুড়ে যায় বহু সাজানো সংসার, সবুজ মাটি লাল হয়ে যায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার রক্তের প্লাবনে।

শান্তি মিশনের অগ্রদূত হয়ে নোয়াখালীতে ছুটে আসেন অসহযোগ ও অহিংস আন্দোলনের পুরোধা মহাত্মা গান্ধী। ১৯৪৬ সালের ৭ নভেম্বর চৌমুহনী রেলস্টেশনে প্রথম মহাত্মাগান্ধী নোয়াখালীর মাটিতে পদার্পন করেন। তৎকালীন এম.এল.এ. শ্রী হারান ঘোষ চৌধুরীর উদ্যেগে নোয়াখালীর প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয় চৌমুহনীতে। মহাত্মা গান্ধী সে জনসভায় প্রথম বক্তৃতা করেন। তারপর জনসভা করেন দত্তপাড়া গ্রামে। ধারাবাহিকভাবে চলল তাঁর পরিক্রমা। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে ১৯৪৭ সালের ২৯ জানুয়ারি তিনি জয়াগ গ্রামে এসে পৌঁছেন। সেদিনইনোয়াখালী জেলার প্রথম ব্যারিস্টার জয়াগ গ্রামের কৃতী সন্তান হেমন্তকুমারঘোষ মহাশয় তাঁর জমিদারির স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তি জনকল্যাণখাতেব্যয়েরউদ্দেশ্যে মহাত্মা গান্ধীর নামে উৎসর্গ করেন। (সরকারী সূত্র থেকে)

কিভাবে যাবেন?

নোয়াখালী জেলা সদর মাইজদী কোর্ট হতে প্রায় ২৫ কিঃমিঃ উত্তরে সোনামুড়ী উপজেলার জয়াগ বাজার সংলগ্ন সড়কের পাশে এর অবস্থান। নোয়াখালী জেলা সদর মাইজদী হতে সোনাইমুড়ী গামী যেকোন লোকাল বাস সার্ভিস/ সিএনজি অটোরিক্সা যোগে সম্মুখে জয়াগ বাজার নেমে রিক্সা বা পায়ে হেঁটে আধা কিলোমিটার পুর্বে গেলে গান্ধী আশ্রমে পৌঁছা যাবে।

বজরা শাহী মসজিদ

নোয়াখালী জেলার অন্যন্য কৃতি এই বজরা শাহী মসজিদ। নোয়াখালী মাইজদী প্রধান শহর হতে প্রায় ১৫ কিঃমিঃ উত্তরে সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরানামক স্থানে অবস্থিত। জমিদার আমান উল্যাহ্ তাঁর বাড়ীর সামনেই ৩০ একর দিঘীর পশ্চিমে ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট প্রায় ১১৬ ফুটদৈর্ঘ্য ৭৪ ফুট প্রস্থ এবং প্রায় ২০ ফুট উঁচু দিল্লীরবিখ্যাত জামে মসজিদের  ১৭৪১ সালে এই বজরাশাহী মসজিদ নির্মাণ করেন যা আজও মোগল স্থাপত্য শিল্পের এক অনন্য নিদর্শনহিসেবে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছে। মোগলসম্রাট মোহাম্মদ শাহের বিশেষ অনুরোধে পবিত্র মক্কা শরীফের বাসিন্দাতৎকালীন অন্যতম বুজুর্গ আলেম হযরত মাওলানা শাহ আবু সিদ্দিকী এ ঐতিহাসিকমসজিদের প্রথম ইমাম হিসেবে নিয়োজিত হন। তাঁর বংশধরগণ যোগ্যতা অনুসারে আজো এ মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।সুদৃশ্য মার্বেল পাথর দ্বারা গম্বুজগুলো সুশোভিত করা হয়। মসজিদে প্রবেশের জন্য রয়েছে ৩টি ধনুকাকৃতি ।

কিভাবে যাবেন?

জেলা শহর থেকে সোনাইমুড়ী গামী যেকোন লোকাল বাস সার্ভিস/ সিএনজি অটোরিক্সাযোগে বজরা হাসপাতালের সম্মুখে নেমে রিক্সা বা পায়ে হেঁটে ২০০ গজ পশ্চিমে গেলে বজরা শাহী মসজিদে পৌঁছা যাবে।

নোয়াখালীর মেলা

নলদিয়া দরগাহ মেলা: ইয়ামেন থেকে আগত আধ্যাত্মিক পুরুষ দেওয়ান ফকির আবদুর রশিদ (রহ.) এর ওফাত দিবস উপলক্ষে  ফেনী  ও নোয়াখালী জেলার মিলনস্থল দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুরে দীর্ঘদিন ধরে বছরের ১ মাঘ থেকে সপ্তাহব্যাপি এ মেলার আয়োজন হয়ে আসছেএকসময়এ মেলায় প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম ঘটতো। শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এ মেলা গত কয়েক বছর যাবত বিভিন্ন কারনে ভাটার মধ্যে রয়েছে। ফেনী-নোয়াখালীর বিখ্যাত হোটেলগুলো এসে এ মেলাকে যেমন আলোকিত করতো তেমনি যাত্রা, সার্কেস, নাগরদোলা, শিশুদের পুতুল নাচ, খেলনা দোকান, সাগরের বড় বড় মাছ এবং ঐতিহাসিক কাঠের ফার্ণিচার এ মেলার প্রধান বাণিজ্য ছিল। সরকারী দস্তাবেজ অনুসারে ১৯২৩ সালে এই মেলার কথা উঠে আসলেও বয়স্ক লোকেরা বলেন তারা তাদের বাপ দাদার কাছেও এই মেলার কথা শুনেছেন। এই মেলায় পাওয়া যেতনা এমনকোনো পন্য নেই। আশপাশের এলাকার মানুষের জীবনের অংশ এই মেলা। মেলার সময় বউরা বাপের বাড়ী থেকে স্বামীর বাড়ী চলে আসে। আর এলাকার ঝিয়েরা চলে আসে বাপের বাড়ীতে। জামাই বেড়াতে যায় মেলা থেকে বড়ো মাছটি নিয়ে শ্বশুরবাড়ী আর মেয়েজামাইবাড়ীতে মেলার ফল মিষ্টি পাঠানো ছিলো এলাকার রেওয়াজ। বিগত কয়েক বছর ধরে কাঠের ফার্নিচার ক্রয় বিক্রয়ের জন্য এই মেলা দেশব্যাপী প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।

কিভাবে যাবেন? ঢাকা থেকে বসুরহাটের বাসে উঠতে হবে। সায়দা বাদ বা টিটি পাড়া থেকে ছাড়ে। এই মেলা ১৫ জানুয়ারী থেকে শুরু হয় ২ সপ্তাহের জন্য। মাঝে মধ্যে সরকারী অনুমতি না পেলে এতে ব্যাঘাত ঘটে। ড্রিম লাইন অথবা সেবা বাসে চড়ে। বসুরহাটের আগেই দুধমুখা বাজারে নামতে হবে। ভাড়া ২৭০ টাকা। আর এসিবাসে গেলে ৩৬০ টাকা। দুধমুখা থেকে সিএনজি বা রিকশায় যাওয়া যায় মেলায়। রিক্সাভাড়া ২০ টাকা।
আমতলী মেলাঃ

পাকিস্তান আমলের প্রথম দিকে  একটি কৃষি মেলার আয়োজন  থেকে এই মেলার শুরু। বাংলা মাঘ মাসের ৫-১০ তারিখ পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।মেলার পাশে বিশাল আকারের একটি আমগাছ ছিল বিধায় মেলার নামকরণ করা হয় আমতলী কৃষি প্রদশনী মেলা। পরে এটি একটি বহুমাত্রিক মেলায় পরিণত হয়।  ঘোড় দৌড়, বায়োস্কোপ, পুতুল নাচ ছিল এই মেলার বিশেষ আকর্ষণ। বর্তমানে নাগরদোলা, সার্কাস, মোটর রেস ইত্যাদি নানা বিনোদন আয়োজন থাকে। আগে যাত্রাপালা হলেও এখন তা একরকম উঠে গেছে।

আপনার ভ্রমণকে নিরাপদ ও আনন্দময় করতে আপনার পাশে রয়েছে চলবে ডট কম। আপনি দেশের যেকোনো জায়গায় ভ্রমণের জন্য চলবে ডট কম এর সেবা নিতে পারেন। বিমান টিকেট, বাস টিকেট, ট্রেন টিকেট, লঞ্চ টিকেট, হোটেল বুকিং ও মোবাইলে অনলাইনে ফ্লেক্সিলোড, টপআপ, রিলোড, ইফিল, রিফিল, রিচার্জ করার জন্য অবশ্যই আসুন www.cholbe.com এ। চলবে ডট কম এর কাস্টমার কেয়ার নাম্বারে যোগাযোগ করুন যেকোনো সেবা পেতে। ফোন: 01709 962797। বিমানের টিকেট ছাড়াও ট্যুরিস্ট ভিসা প্রসেস ও ট্যুর অপারেট করার জন্য চলবে ডট কম বিশ্বস্ত নাম। আপনি চলবে.কম এর সাথে যোগাযোগ করতে যুক্ত থাকুন ফেসবুকে পেজের সাথে https://www.facebook.com/CholbeTeam. আমাদের রয়েছে নিজস্ব পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা যার মাধ্যমে আমরা নিরাপদ ও সহজে আপনার কাছ থেকে পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারি।

মুসাপুর বেড়ীবাঁধ:

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা হেডকোয়াটার থেকে আনুমানিক ২০ কিলোমিটার দূরে বাংলাবাজার পার হয়ে মুছাপুর বেড়িবাঁধ, স্লুইসগেট, নদী, কৃত্রিমবন এবং গ্রামীণপটভূম মিলে এক সুন্দর নয়নাভিরাম ল্যান্ডস্ক্যাপ চোখে পড়ে।জায়গাটা সাধারণ, ধান নদী, খাল ঝোপজাতীয় বন। দূরে আকাশের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাবে চট্টগ্রামের মিরশ্বরাইতে অবস্থিত ছোট ছোট পাহাড়ের সারি।

যথেষ্ট শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ নোয়াখালীর লোকসাহিত্য। এখানকার পালাগান, সৎভাই, আপনদুলাল, বান্দরের কিচ্চা, সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান, কানির কিচ্চা খুবই সমৃদ্ধ। এসব ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে জানি না আদৌ এসব উদ্ধার করা যাবে কিনা। রাখালী পত্রিকা এবং ফোকলেন বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার এসব উদ্ধার করার উদ্বেগ নিয়েছি কিন্তু পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে সেটা সম্ভব হয়নি।

কিভাবে যাবেন? ঢাকা থেকে বসুরহাটের বাসে উঠতে হবে। সায়দা বাদ বা টিটি পাড়া থেকে ছাড়ে। এই মেলা ১৫ জানুয়ারী থেকে শুরু হয় ২ সপ্তাহের জন্য। মাঝে মধ্যে সরকারী অনুমতি না পেলে এতে ব্যাঘাত ঘটে। ড্রিম লাইন অথবা সেবা বাসে চড়ে। বসুরহাটে  নামতে হবে। ভাড়া ২৭০ টাকা। আর এসিবাসে গেলে ৩৬০ টাকা। েএখান থেকে বাসে যাওয়া যাবে বাংলাবাজার। সিএনজিও রয়েছে। সেখান থেকে রিকসা বা সিএনজিতে মুছাপুর ক্লোজার।  বলে রাখা ভালো যে এখানে থাকার কোনো ব্যবস্থা নেই। থাকার জন্য সবচে কাছের শহর হলো ফেনী। সূতরাং ফেণীতে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। অবশ্য আগে থেকে যোগাযোগ করলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ডাকবাংলোতে থাকার ব্যবস্থা হতে পারে।

Published : মার্চ ২৫, ২০১৭ | 6142 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798