আলোচিত বাংলাদেশীদের নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন

Published : মার্চ ৫, ২০১৭ | 3020 Views

বিভিন্ন ইতিবাচক ও প্রশংসনীয় কাজ করে আলোচিত হয়েছেন এমন বাংলাদেশীদের নিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ প্রতিদিন। গত ৪ মার্চ দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এর বিশেষ সংখ্যায় সমাজ ও পেশাগত কাজে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন এমন ৪২ জন বাংলাদেশীকে নিয়ে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। এর মধে রয়েছেন- ব্রিটিশএমপি রোশনারা আলী, সালমান একাডেমীর সালমান খান, ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা জাওয়াদ করীম, ব্যরিস্টার সারা হোসেন, অপেরা শিল্পী মনিকা ইউনুস, ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ড. নীনা আহমেদ, কর্নেল নাজমা বেগম, গলফ খেলোয়াড সিদ্দিকুর রহমান, সাতশৃঙ্গ বিজয়ী ওয়াসফিয়া নাজনীন। সব বিখ্যাত মানুষদের কাজের সাথে স্থান পেয়েছে ওয়ালেটমিক্স এর হেড অব বিজনেস জাহাঙ্গীর আলম শোভনের নাম।

পুরো বিশেষ সংখ্যার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে।

  • বাঙালি সার্জনের ভার্চুয়াল চমক : বাঙালি সার্জন ডা. শাফি আহমেদ গুগল গ্লাস ব্যবহার করে অস্ত্রোপচার সম্প্রচার ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদানে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ২০১৭ সালে ব্রিটেনের পারসন অব দ্য ইয়ার সম্মানে ভূষিত হন।
  • বিশ্বসেরা শিক্ষক : নিজের পেশায় অনবদ্য ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু ও প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা অর্জনে অবদান রাখায় বিশ্বসেরা শিক্ষক-২০১৭ (গ্লোবাল টিচার প্রাইজ) পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শাহনাজ পারভীন।
  • পুলিশ প্যারেড নেতৃত্বে : পুলিশ সপ্তাহ প্যারেডে প্রথম নারী হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে ইতিহাস গড়েন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার।
  • গ্রাসিয়া অ্যাওয়ার্ড জয়ী : যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউএইচএজি টিভি চ্যানেলের সংবাদ উপস্থাপিকা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তাসমিন মাহফুজ। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নারী সাংবাদিকদের সম্মানজনক পুরস্কার গ্রাসিয়া অ্যাওয়ার্ড জিতে সাড়া ফেলেছেন।
  • পায়ে হেঁটে দেশ পাড়ি :
    ‘দেখবো বাংলাদেশ, গড়বো বাংলাদেশ’— এ স্লোগান নিয়ে পায়ে হেঁটে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পৌঁছেছেন  অনলাইন লেখক ও সমাজকর্মী জাহাঙ্গীর আলম শোভন। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সহযোগিতায় www.tour.com.bd এর পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট থেকে যাত্রা শুরু করে ২৮ মার্চ দুপুরে বাংলাদেশের শেষ সীমান্ত টেকনাফ পৌঁছান তিনি। এ সময় গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ স্থানগুলোর তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করেন শোভন। চলার পথে তিনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। দেশের হয়ে কাজ করার জন্য সবাইকে অনুপ্রাণিত করেন।
  • সেরা আঁকিয়ে : প্রত্যেক কংগ্রেসম্যানের এলাকা থেকে সেরা একজন বাছাই করে মোট ৪৩৫ জনের মধ্যে চিত্রকর্মের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এদের মধ্য থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জনের আঁকা চিত্র নির্বাচিত হয়। সব ছবি নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয় ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাপিটাল ভিজিটর সেন্টারের কংগ্রেসনাল অডিটরিয়ামে। সেরা দশে বাংলাদেশি সামিয়া ফাগুনের চিত্রটিও স্থান পায়
  • বাংলার মালালা : সাহিদা আক্তার স্বর্ণার বাড়ি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার সিংদীঘি গ্রামে। বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করে চলেছেন তিনি। যেখানেই শোনেন বাল্যবিবাহ দেওয়া হচ্ছে সেখানেই ছুটে আসেন তিনি।
  • আউটসোর্সিংয়ে সেরা : আব্দুল মোনেম লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম মহিউদ্দিন মোনেম। এ ছাড়া বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং কোম্পানি সার্ভিসইঞ্জিন লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৬ সালে বিশ্বের সেরা ১০০ আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছে আইএওপি। তালিকায় রাইজিং স্টার হিসেবে স্থান পেয়েছে তার আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান সার্ভিসইঞ্জিন বিপিও।
  • বাংলাদেশির হাতে ব্রেক থ্রু পুরস্কার: সেলিম শাহরিয়ার আর দীপঙ্কর তালুকদার। তিন মিলিয়ন ডলারের পদার্থবিজ্ঞানের ব্রেক থ্রু পুরস্কার পাচ্ছে মহাকর্ষ তরঙ্গ টিম। আর সেখানেই আমাদের দেশের দুই বিজ্ঞানীর নাম তারকার মতোই জ্বলজ্বল করছে।
  • গ্রাফিক্স ডিজাইনার : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিমিডিয়া ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক গোলাম ফারুক। ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনে তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের সেরা। এ ছাড়া গ্লোবাল ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম আপওয়ার্কের বিবেচনায় গোটা বিশ্বের লক্ষাধিক ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মধ্যে গোলাম ফারুক অর্জন করে নিয়েছিলেন দ্বিতীয় স্থান। এ ছাড়াও লোগো ডিজাইনার ও গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানটিও গোলাম ফারুকের। ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে আপওয়ার্ক ‘ইলাস্ট্রেশন ক্যাটাগরি’তে বিশ্বের সেরা ১১ জন ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনারের তালিকা প্রকাশ করে।
  • গবেষণায় এগিয়ে : তিনি প্রফেসর ড. খোন্দকার সিদ্দিক-ই রব্বানী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপারসন। দীর্ঘদিনের গবেষণায় তিনি তরুণদের সঙ্গে নিয়ে উদ্ভাবন করেছেন একটির পর একটি নানাবিধ আবিষ্কার। হৃদযন্ত্রের ওঠা-নামা পর্যবেক্ষণ করার জন্য তার দলের উদ্ভাবিত কম্পিউটারাইজড ইসিজি মেশিনটি মাত্র সাত ইঞ্চির।
  • প্রথম বাংলাদেশি কার্ডিনাল : এর আগে এমন সম্মান কখনো আসেনি। ভ্যাটিকেন সিটির পোপ ফ্রান্সিস এক ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছিলেন গত বছর। তিনি ১৭ জন আর্চবিশপকে কার্ডিনাল হিসেবে নাম ঘোষণা করেন। যার মধ্যে বাংলাদেশের আর্চবিশপ ডিরোজারিওকে কার্ডিনাল হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্যাথলিকমণ্ডলীতে এটা অনেক বড় অর্জন। ইতিহাসে এই প্রথম কেউ বাংলাদেশ থেকে কার্ডিনাল পদের অধিকারী হলেন। যিনি বিশ্বের সব খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের কাছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। ক্যাথলিক খ্রিস্টমণ্ডলীতে পোপের পরেই কার্ডিনালই সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্মানীয় পদ। এই পদের অধিকারীরা ভবিষ্যৎ পোপ হওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
  • বড় আকারের যুদ্ধজাহাজ : গত বছর খুলনা শিপইয়ার্ড কর্তৃক নির্মিত প্রথমবারের মতো বিশাল আয়তনের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করে। ৮ শতাধিক কোটি টাকা ব্যয়ে ‘লার্জ পেট্রোল ক্রাফট-এলপিসি’ নির্মিত দুটির মধ্যে একটি উদ্বোধন করেছেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ-ওএসপি, এনডিসি, পিএসসি। এটি দৈর্ঘ্যে ২১০ ফুট ও ৩০ ফুট প্রস্থ।
  • মিস ইউনিভার্সিটি : ‘ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি ২০১৬’ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের আহ্ছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী মুঞ্জারীন মাহবুবা অবনী মিস মেসেন্যাট বিউটি নির্বাচিত হয়েছেন। চীনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি ২০১৬’-তে তিনি চ্যাম্পিয়নের মুকুট ছিনিয়ে আনতে পারেননি। তবে ব্যর্থতা তাকে পুরোপুরি নিরাশ করেনি। ৬০ জনের মধ্যে তার অবস্থান হয়েছে ৮ম। একই সঙ্গে তিনি ‘অফিশিয়াল শান্তিদূত’ মনোনীত হয়েছেন।
  • মিস মিসিসিপি : পারমিতা মিত্র প্রথম বাঙালি হিসেবে আমেরিকার মিসিসিপি স্টেটসে ২০১৩-এর সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৯ সালেও তিনি ‘মিসিসিপি টিন’ খেতাবে ভূষিত হয়েছিলেন। মিস আমেরিকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রথম বাংলাদেশি অভিবাসী পারমিতা মিত্র। মার্কিন মুলুকের সাড়া জাগানো এ সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘ প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল।
  • দ্য কুইন্স ইয়াং লিডারস : মানুষের জীবন মান উন্নয়নে দীর্ঘস্থায়ী ভূমিকা রাখায় ২০১৬ সালের ‘দ্য কুইন্স ইয়াং লিডারস’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশের ওসামা বিন নূর। দেশের তরুণ সমাজের জীবন পরিবর্তন বিষয়ক উদ্যোগ গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। – See
  • মিস ওয়ার্ল্ড জাপান : নানা প্রতিকূলতার মাঝে মিস ওয়ার্ল্ড জাপান ২০১৬-তে নিজের অবস্থান শীর্ষে তুলে ধরেছেন মিশ্র বর্ণের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণী প্রিয়াঙ্কা ইয়োশিকাওয়া। অনেকের ধারণা এই পুরস্কার বিজয়ীর মা-বাবাকে অবশ্যই জাপানি হওয়া উচিত। এমন পরিস্থিতিতে বাবা বাংলাদেশি হওয়ার কারণে সমালোচনার মন্তব্যে তিনি পেয়েছেন, ‘বিশুদ্ধতার অভাব’। নানা বিচার-বিশ্লেষণের পর যোগ্যতা অনুসারে ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে ঘোষণা হয় মিস ওয়ার্ল্ড জাপান। সেখানে বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন –
  • মিস আর্থ ইন্টারন্যাশনাল : মিস আয়ারল্যান্ড খ্যাত বাংলাদেশের মেয়ে মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি জিতেছেন ‘মিস আর্থ ইন্টারন্যাশনাল ২০১৬’ খেতাব। একজন মিডিয়াকর্মী এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশকে আলোচনায় এনেছেন প্রিয়তি। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন কবে বড় হবেন আর কবে গরিবদের পাশে দাঁড়াবেন। সে লক্ষ্যেই কাজ শুরু করেন প্রিয়তি।
  • ব্রিটিশ বাণিজ্য দূত : ২০১৬ সালে ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলীকে বাংলাদেশবিষয়ক বাণিজ্য দূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছে যে কজন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। এমনকি ২০১১ সালে ব্রিটেনের প্রভাবশালী রাজনৈতিক পত্রিকা নিউ স্টেটসম্যান ‘পার্লামেন্টের উদীয়মান তারকা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে অনূর্ধ্ব ৪০ বয়সের ২০ জন এমপির তালিকা দিয়ে বলা হয়, তাদের মধ্য থেকে অনেকেই ব্রিটেনের মন্ত্রিসভায় স্থান করে নেবেন এবং বেরিয়ে আসবে ব্রিটেনের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী। তিনি আর কেউ নন— রুশনারা আলী এমপি। –
  • তরুণ নেতৃত্বে বাংলাদেশি : জাতিসংঘ ঘোষিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি)-এর সমর্থনে কাজ করছেন এমন ১৭ তরুণ নেতার তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশি মেয়ে সওগাত নাজবিন খান। তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলায়। প্রাথমিকভাবে ১৮৬ দেশ থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১৮ হাজারেরও বেশি আবেদন আসে। প্রত্যেক আবেদনকারীর বয়স ১৯ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল। এদের মধ্য থেকে এসডিজি’র ১৭টি মৌলিক লক্ষ্যে অবদান রাখার জন্য ১৭ জন তরুণকে বাছাই করা হয়।
  • ব্রিটেনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম নারী মেয়র : ব্রিটেনের ক্যামডেন কাউন্সিলের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নির্বাচিত নারী মেয়র নাদিয়া শাহ। প্রথম মুসলিম নারী মেয়রও তিনি। ক্যামডেনে জন্ম নেওয়া নাদিয়ার পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায়।
  • শান্তি মিশনে অনুপ্রেরণীয় : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে একটি কনটিনজেন্টের নারী কমান্ডার কর্নেল ডা. নাজমা বেগম। ১৯৬৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নীলফামারী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন নাজমা বেগম। নাজমা বেগমের নামের সঙ্গে এমবিবিএস ছাড়াও যুক্ত এমপিএইচ (বিবিএসএম), সিসিইউ, সি-অল্ট্রি (ইউএসএ), ডিএমএইউডি, পিএইচডি (ইউএসএ) ডিগ্রি।
  • সাত শৃঙ্গজয়ী: বাংলাদেশের এভারেস্ট জয়ী নারী ওয়াসফিয়া গত বছর সাত শৃঙ্গ জয় করেন। একে একে তিনি জয় করেন আফ্রিকার কিলিমানজারো, দক্ষিণ আমেরিকার আকোনকাগুয়া, অ্যান্টার্কটিকার ভিনসন ম্যাসিফ, ইউরোপের মাউন্ট এলব্রুস এবং উত্তর আমেরিকার ডেনালি চূড়া এবং কারস্তেনস পিরামিড জয়ের মধ্য দিয়ে ওয়াসফিয়ার সাত শৃঙ্গ জয় পূর্ণ হয়।
  • ভারোত্তোলনে সেরা : ১২তম দক্ষিণ এশীয় বা এসএ গেমসে বাংলাদেশের জন্য ভারোত্তোলনে প্রথম সোনার পদক এনে দিয়েছেন মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। ভারতের গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠানরত এসএ গেমসে মেয়েদের ৬৩ কেজি ওজনের শ্রেণিতে সোনা জিতেছেন মিস আক্তার। তিনি ১৯৯৯ সালে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। মাবিয়ার বাবা হারুনুর রশিদ একজন মুদি দোকানের মালিক।
  • আন্তর্জাতিক কিক বক্সিং : আন্তর্জাতিক কিক বক্সিংয়ের ৪৮-৫০ ক্যাটাগরিতে তৃতীয় হিসেবে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন ব্রিটিশ বাঙালি তরুণী রোকসানা বেগম। প্রভাবশালী ১০০ ব্রিটিশ বাঙালির ‘পাওয়ার হান্ড্রেট’ তালিকায়ও রয়েছে তার নাম। ‘পূর্ব লন্ডনে আর পাঁচজন বাঙালি মেয়ের মতোই বেড়ে ওঠা রোখসানার। ঘরে থেকে হাতের কাজ ঠিকভাবে রপ্ত করবে এটাই ছিল পরিবারের প্রত্যাশা। ১৭ বা ১৮ বছর বয়সে বাড়তি কিছু শেখার ইচ্ছা ও আত্মরক্ষা, দুটোর জন্য মাথায় চাপে বক্সিংয়ের নেশা। বেথনাল গ্রিন এলাকার ‘কো জিম’ ব্যায়ামাগারে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, খ্যাতনামা প্রশিক্ষক বিল জাডের কাছে ঐতিহ্যবাহী ম্যুয় থাই শেখার সুযোগ পান রোকসানা।
  • তবলা বাজিয়ে বিশ্বরেকর্ড : পুরো ২৫ দিন তবলা বাজিয়ে বাঙালি সংস্কৃতির বিশ্বজয় এনে দেওয়া নায়ক বাংলাদেশের সুদর্শন দাস। যুক্তরাজ্য প্রবাসী এই তবলা বিশারদ তবলা বাজিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকের পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। বিশ্ববাসীর কাছে বাঙালি সংস্কৃতি তুলে ধরতে একটানা ৫৬০ ঘণ্টা তবলা বাজিয়ে এখন হইচই ফেলে দিয়েছেন গোটা বিশ্বে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছেন সুদর্শন দাস।
  • অলিম্পিকে প্রথম বাংলাদেশি : বাংলাদেশের স্বনামধন্য গলফ খেলোয়াড় বা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে তিনি প্রথম বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদ হিসেবে সরাসরি অংশগ্রহণ করার যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০১০ সালে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম গলফার হিসেবে জয় করেছেন এশিয়ান ট্যুর শিরোপা। তার ক্রীড়া নৈপুণ্যের জন্য কলকাতার ‘এই সময়’ পত্রিকা বাংলার টাইগার উডস নামে অভিহিত করে।
  • বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতের বিশ্বজয় : রিও অলিম্পিকে এবারের আসরে রিদমিক জিমন্যাস্টিকসে সোনাজয়ী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্গারিটা (রিতা) মামুন। এর আগে রিদমিক জিমন্যাস্টিকস-উইমেনস ইনডিভিজুয়াল অল-অ্যারাউন্ড ইভেন্টের হিটে প্রথম হয়ে উঠেছিলান ফাইনাল। মার্গারিটার বাবা আবদুল্লাহ আল মামুন, রাজশাহীর সন্তান। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী। মা আন্না রাশিয়ান।
  • সাঁতারে অনন্য অর্জন : ভারতের গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত ২০১৬ দক্ষিণ এশীয় গেমসে ৫০ মি: ও ১০০ মি: ব্রেস্টস্ট্রোকে দুটি স্বর্ণপদক অর্জন করেন মাহফুজা খাতুন শিলা। দীর্ঘ ১০ বছর পর এসএ গেমসের সাঁতার থেকে বাংলাদেশকে স্বর্ণজয়ের আনন্দে ভাসিয়েছেন তিনি। এই পদক জিততে তিনি সময় নিয়েছেন ৩৪ দশমিক ৮৮ সেকেন্ড। মাহফুজা ২০০৬ সালে কলম্বো এসএ গেমসে শ্রীলঙ্কার রাহিম মাইয়ুমির রেকর্ড ভেঙেছেন। ওই লঙ্কান সাঁতারু সেবার ৩৪ দশমিক ৯৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণপদক জিতেছেলেন।
  • বানিয়েছেন ব্রিটিশ রানীর জন্মদিনের কেক : ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের জন্মদিনে কেক বানানো যে কোনো রন্ধনশিল্পীর জন্য অনেক সম্মানের। নাদিয়া হোসেইন বানিয়েছেন ব্রিটিশ রানীর জন্মদিনের কেক। রানীর ইচ্ছা ছিল ২০১৫ সালের বিবিসির গ্রেট ব্রিটিশ বেক অফ চ্যাম্পিয়ন বানাবেন তার ৯০তম জন্মদিনের কেক। এই অভিনব সুযোগ পেয়ে নাদিয়া সোনালি ও বেগুনি রং মিশিয়ে অরেঞ্জ ফ্লেভারের কেক বানান। বিলেতি রীতির বিয়ের কেক বানিয়ে ‘গ্রেট ব্রিটিশ বেক অফ’ প্রতিযোগিতার শিরোপাজয়ী নাদিয়া হোসেইন পান ভিন্নধর্মী সম্মান। বছরের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্রিটিশ বাংলাদেশির পদক জিতেছেন তিনি। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি কমিউনিটির সাফল্য উদযাপনে মঙ্গলবার পঞ্চমবারের মতো ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইনস্পিরেশন (বিবিপিআই) তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রভাবশালী ১০০ জনের এই তালিকায় সবার উপরে ছিলেন নাদিয়া।
  • যুক্তরাষ্ট্রের সাহসী নারী : যুক্তরাষ্ট্রের সাহসী নারী সম্মাননা পেয়েছেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের ইন্টারন্যাশনাল ওমেন অব কারেজ অ্যাওয়ার্ড ২০১৬ গ্রহণ করেন তিনি। সারার হাতে এই অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বের আরও ১৩ জন এই অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন। ব্যারিস্টার সারা হোসেন শান্তি, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা এবং নারীর প্রতি সহিংসতা দূর ও নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখায় তাকে ওমেন অব কারেজ অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত করা হয়। বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের মেয়ে সারা হোসেন একজন মানবাধিকার আইনজীবী।
  • গ্লোবাল আর্ট চ্যাম্পিয়ন : বাগেরহাটের প্রত্যন্ত গ্রামের বর্ণালী বাগচীর গ্লোবাল আর্ট চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড ২০১৬ অর্জন চমক সৃষ্টি করেছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ২০১৪ সাল থেকে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। বিশ্বের ১৪টি দেশের সেরা পাঁচটি করে ছবি এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ১৪ দেশের সেরা ৭০টি ছবির মধ্যে আটটি চ্যাম্পিয়ন হয়। এর মধ্যে আছে বাংলাদেশের ছোট্ট মেয়ে বর্ণালী বাগচীর আঁঁকা গ্রামের ছবি। বর্ণালী কলকলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।
  • আগা খান স্থাপত্য সম্মাননা লাভ : আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশের স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম ও কাশেফ মাহবুব চৌধুরী। মেরিনা তাবাসসুম এই পুরস্কারে ভূষিত হলেন সুলতানি আমলের মসজিদের অনুপ্রেরণায় তৈরি ঢাকার বায়তুর রউফ মসজিদের অনন্য স্থাপত্য সৌন্দর্যের জন্য। অপরদিকে গাইবান্ধার ফ্রেন্ডশিপ সেন্টারের স্থাপত্য নকশার জন্য পুরস্কার অর্জন করলেন কাশেফ মাহবুব চৌধুরী। আবুধাবির ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট আল জাহিলি ফোর্টে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ী এই দুই স্থপতির হাতে পুরস্কার তুলে দেয় আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক।
  • বাংলাদেশের স্বর্ণকিশোরী : বাংলাদেশের কিশোরী আনিকা এ বছর ‘উইমেন ডেলিভার কনফারেন্স ২০১৬-এ অংশ নিয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। বিশ্বের ১৬৯টি দেশের ছয় হাজারের অধিক মানুষ অংশ নেন ওই কনফারেন্সে। আর ওই কনফারেন্সে বাংলাদেশেরও একটি দল অংশ নেয়। ওই দলের নেতৃত্ব দেন স্বর্ণকিশোরী শাহজিয়া শাহরিন আনিকা। তার মেধা, চিন্তা, উপস্থিত বুদ্ধিমত্তা দেখে কনফারেন্সের প্রধান অতিথি ডেনমার্কের প্রেসিডেন্ট লার্স লকি রেসমোসেনসহ উপস্থিত অতিথিরা প্রশংসা করেন। এ ছাড়াও বর্ষসেরা স্বর্ণকিশোরীর খেতাব পেয়েছে একটি বেসরকারি টেলিভিশন থেকে।
  • ইন্দো-বাংলা চ্যাম্পিয়ন : ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার পাহাড় অনন্তপুর গ্রামের মেয়ে শিরিন সুলতানা। বাবা মৃত হায়দার আলী। মা ও দুই ভাইকে নিয়েই তার সংসার। ছোট থেকেই অভাব অনটনে তাদের দিন কাটাতে হয়েছে। তাই বড় কোনো স্বপ্ন দেখার সাহসও পাননি। ২০০৯ সালে যোগ দেন বাংলাদেশ আনসার ব্যাটালিয়নে। আনসারের হয়ে কুস্তি খেলোয়াড়ের তালিকায় নাম লেখান। একই সালে আনসারে ট্যালেন্ট হান্টে জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় রেহানা পারভীনের চোখে ধরা পড়েন। তারপর কুস্তি খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে অল্প সময়েই ধারালো করে তোলেন। শুরু থেকেই একের পর এক সফলতা ছিনিয়ে আনেন অকপটে। ২০১০ সালে (৫৫ কেজি ওজনে) স্বর্ণ জয় করেন। কুস্তিতে জাতীয় পর্যায়ে ২০১১ ও ২০১২-তেও স্বর্ণ জেতেন। দেশের বাইরে কলকাতায় ২০১৩ সালে জেতেন ইন্দো-বাংলা আন্তঃরেসলিং চ্যাম্পিয়নশিপ। সেখানে দেশের হয়ে স্বর্ণপদক পান।
  • খান একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা : বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন শিক্ষা গবেষক, উদ্যোক্তা এবং ‘খান একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতা সালমান আমিন খান। খান একাডেমি সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় একটি উন্মুক্ত অনলাইনভিত্তিক ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। তিনি ছোট একটি অফিস থেকে এর যাত্রা শুরু করেন। একাডেমি নিজের ওয়েবসাইট ও ইউটিউবের মাধ্যমে গণিত ও বিজ্ঞানসহ ৩ হাজার ১০০-এর বেশি বিষয়ের ওপর ৬ হাজার ৫০০-এর বেশি ভিডিও তৈরি করেছে। ২০১৬ সালের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ইউটিউবে খান একাডেমির চ্যানেলটি ২ কোটি ৪১৫ লাখ ৪০৬-এর বেশি গ্রাহককে আকৃষ্ট করেছে। ভিডিওগুলো দেখা হয় ৬৯৬ মিলিয়নের বেশিবার। ২০১২ সালে মার্কিন পত্রিকা টাইমের জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তি –
  • যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বাংলাদেশির চমক: কর্মজীবী মানুষের সেবার মাধ্যমে যিনি আলোচনায় আসেন, তিনি আর কেউ নন, ড. নীনা আহমেদ। একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর নিজের কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের দেখা পান। আমেরিকায় বাঙালি কমিউনিটিতে তার সেবা করার মানসিকতা প্রশংসনীয়। একই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে। ডেমোক্রেটিক প্রার্থীদের হয়ে কাজ করে বিপুল সমর্থন পান। বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট হিসেবে জয়লাভ করলে তার প্রত্যক্ষ প্রভাব সবার সামনে চলে আসে। এরপর প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাকে এশিয়ান-আমেরিকান উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করেন।
  • হ্যারি পটারের অভিনেত্রী : ব্রিটিশ চলচ্চিত্র ‘হ্যারি পটার’-এর কথা নিশ্চয় মনে আছে। মুভিটির জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত জনপ্রিয়তায় এতটুকু ভাটা পড়েনি। সিরিজটির শেষ পাঁচটি সিরিজে পদ্মপাতিল চরিত্রে অভিনয় করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অভিনেত্রী আফসানা আজাদ।
  • অপেরা রানী : বিশ্বখ্যাত অপেরার সুরে কণ্ঠ দিয়ে স্রোতাদের মন জয় করেছেন মনিকা ইউনূস। চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া মনিকা শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মেয়ে। তার মূল খ্যাতি তিনি অপেরাশিল্পী।
  • সমাজসেবায় ড্রিংকওয়েল : বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিনহাজ চৌধুরী ড্রিংকওয়েল নামের একটি সামাজিক উদ্যোগের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। ২০ লাখ মানুষ সরাসরি এখান থেকে বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পাচ্ছে। বিশ্বসেরা উদ্যোক্তাদের কাতারে মিনহাজ সেরা। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্টার্টআপ জ্যাকপট প্রতিযোগিতায় মিনহাজ ও তার ড্রিংকওয়েল প্রথম স্থান অধিকার করে।
  • ইউটিউবের সহপ্রতিষ্ঠাতা : বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাভেদ করিম ইউটিউব প্রতিষ্ঠাতাদের একজন।   ছোটবেলা থেকে সৃজনশীল কাজে জড়িত তিনি। ইউটিউব ছাড়াও পোর্টেবল ত্রিমাত্রিক গ্রাফিক্স, সলভিং ড্যাড পাজল, থ্রিডি স্প্রিং সিমুলেশন, রোবোটিক ওয়েবক্যাম, রেডিওসিটি ইনজিন, রে-ট্রেসার, লাইফ থ্রিডি, কোয়াক ২ মডেল ভিউয়ারসহ বেশ কিছু প্রজেক্টের উদ্ভাবন করেছেন।

(সম্ভবত কারা কতদিন ধরে আলোচনায় আছেন সে হিসেবে পেছন দিক থেকে সিরিয়াল করা হয়েছে। কারণ সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো প্রথমদিকে দেখা যাচ্ছে। আবার কোনো সিরিয়াল সিস্টেম নাও হতে পারে। কারণ পত্রিকার প্রথম পাতার পর গুরুত্বপূর্ণ হলো শেষের পাতা। তারপর তৃতীয় পাতা তারপর শেষের পাতার আগের পাতা তারপার মাঝের পাতা তারপর দ্বিতীয় পাতা তারপর ৬ নং পাতা। ৮ পৃষ্ঠার একটা ট্যাবলয়েডে এভাবে পৃষ্ঠাগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। এই তালিকার প্রথম চারজনের নাম ছিলো ১ম পাতায়। আর জাহাঙ্গীর আলম শোভনের নাম দ্বিতীয় পাতায় নিচের দিকে রয়েছে।)

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

Published : মার্চ ৫, ২০১৭ | 3020 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798