শাপলারাজ্য সাতলার হাতছানি

Published : ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৭ | 2449 Views

শাপলাবিল

শাপলারাজ্য সাতলার হাতছানি

চারদিকে সব রঙীন শাপলা। যেন রুপকথার স্বপ্নপুরি।  লতা-পাতা গুল্মে ভরা বিলের পানিতে শত সহস্র লাল শাপলাফুটে আছে। ,মনে হয় বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রামে, বরিশাল থেকে থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে  প্রকৃতির বুকে বিছানো  যেন এক লাল গালিচা।

আগাছা আর লতা-পাতায়, বিলের হাজারো শাপলা, চোখ জুড়ায় পথচারিদের। বিলের যত ভেতরে যাওয়া যায়, ততই বাড়তে থাকে লালের আধিক্য। এ যেন এক শাপলার রাজ্য। এ বিলে ঠিক কবে থেকে, শাপলা জন্মাতে শুরু করেছে তা নিয়ে নেই সঠিক কোন তথ্য। তবে, স্থানীয় বয়স্কদের কাছ থেকে জানা যায় জন্মের পর থেকেই, এভাবে শাপলা ফুটতে দেখেছেন তারা। এ বিলে, তিন ধরণের শাপলা জন্মে। লাল, সাদা আর বেগুনি। তবে, লাল শাপলাই বেশি। গোটা গ্রাম জুড়ে শাপলার চাষ হয় এখানে।

উত্তর সাতলা নামে এ গ্রামটির প্রায় ১০ হাজার একর জলাভুমিতে শাপলার চাষ করা হয়। গ্রামের অধিবাসীদের ৭০% ই শাপলা চাষ এবং বিপণন এর সাথে জড়িত। এ গ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাপলা সরবরাহ করা হয়। ছবি তোলার জন্য আদর্শ একটি গ্রাম সাতলা। কারণ শাপল সবজি হিসেবে বিক্রি হয়।

বছরের মার্চ থেকে শুরু করে নভেম্বর পর্যন্ত শাপলা থাকে বিলে। শাপলার অনণ্যরুপ দেখতে হলে আপনাকে খুব সকালে যেতে হবে, কেননা সকাল ৮টার পরে ফুল বুজে ছোট হয় যায় অথবা শাপলা শিকারিরা শাপলা তুলে নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে যায়। এজন্য রাতে গ্রামে থাকতে পারলে ভালো।

লঞ্চে বরিশাল গিয়ে সেখান থেকে বাসে শিকারপুর। এরপর অটোতে উত্তর সাতলা। ঢাকা থেকে বাসে গেলে উজিরপুরের নুতনহাট নেমে সেখান থেকে অটোতে যেতে পারে। অথবা বরিশাল নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে সাতলা-বাগধা গ্রামে সরাসরী বাস সার্ভিস আছে। প্রায় ২ ঘন্টার মতো সময় লাগে।

সাতলাতে থাকতে হলে থাকতে হবে স্কুল ঘরে বা কোন গৃহস্তের বাড়িতে। অতিথিপরায়ন মানুষেরা তাতে খুশিই হবে। এছাড়া আপনি চাইলে বরিশাল ফিরে আসতে পারেন। বরিশালে থাকার জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে।

প্রকৃতিপ্রেমীদের ডাকছে শাপলাপুরি সাতলা।

Published : ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৭ | 2449 Views

  • img1

  • ফেব্রুয়ারি ২০১৭
    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    « জানুয়ারি   মার্চ »
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮  
  • Helpline

    +880 1709962798