চিকিৎসার জন্য ভারত যাবেন?

Published : ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ | 2151 Views

ভিসার আবেদনের সময় সাক্ষাৎকারের তারিখ বা ‘ই-টোকেন’ পেতে হয়রানির অভিযোগ বাড়লেও ভারতের ভিসা সেন্টারগুলোতে আবেদনকারীর ভিড়ও প্রতিদিনই বাড়ছে।

ধানমন্ডির ২ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাড়িতে (ধানমন্ডি সেন্টার) নতুন এ ‘ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার’ (আইভিএসি) এর যাত্রা শুরু হয়েছে। রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হবে। আর ভিসা দেওয়া হবে বিকেল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত। বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনের স্বীকৃত এজেন্ট স্টেইট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

ভারতীয় ভিসার আবেদন ফি  ৬০০ টাকা করে। আর সিলেট বা খুলনায় লাগবে ৭০০ টাকা।  আবেদনকারীকে ছবি স্ক্যান করে অনলাইন ফরমের নির্ধারিত স্থানে আপলোড করতে হবে। তা না হলে কর্তৃপক্ষ ওই আবেদন গ্রহণ করবে না।

এর বাইরে ঢাকার গুলশান ও মতিঝিলে দুটি এবং রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীতে একটি করে ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের মাধ্যমে সব ধরনের ভিসার আবেদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এর মধ্যে গুলশানের সেন্টারে একটি বিশেষ কাউন্টার খোলা হচ্ছে যেখানে জরুরি চিকিৎসা ভিসার আবেদন সরাসরি গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ, অন্য ভিসার ক্ষেত্রে অনলাইনে ফরম পূরণ করে পাওয়া নির্ধারিত তারিখে সেন্টারে গিয়ে ফরম জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও যারা চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে চান, তাদের ক্ষেত্রে ওই তারিখের প্রয়োজন হবে না।

সেই সঙ্গে ভিসা পাওয়ার জন্য আবেদনকারীদের সঠিক ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে এবং আসল ও পূর্ণাঙ্গ নথিপত্র জমা দিতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।

ভিসার বিষয়ে আরো তথ্যের জন্য visahelp@ivacbd.com, info@ivacbd.com অথবা visahelp@hcidhaka.gov.in ঠিকানায় ই-মেইলে যোগাযোগ করা যাবে।

ভারতীয় দূতাবাসের নিয়ম অনুযায়ী ভিসাপ্রার্থীরা অনলাইনে ফরম পূরণ করলে ওয়েবসাইট থেকে একটি ‘ই-টোকেন’ ও সাক্ষাৎকারের তারিখ পাবেন। নির্ধারিত তারিখে ওই টোকেন ও পূরণ করা ফরমের প্রিন্টেড কপিসহ আবেদনকারীকে সাক্ষাৎকারের জন্য উপস্থিত থাকতে হবে।

নিয়ম মেনে ওয়েবসাইটে গিয়ে ফরম পূরণ করা হলেও সাক্ষাৎকারের তারিখ ও ই-টোকেন পাওয়া যায় না বলে আবেদনকারীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ। ওয়েবসাইটে তারিখ পাওয়া না গেলেও একটি চক্র অর্থের বিনিময়ে ই- টোকেন এর ব্যবস্থা করে দেয় বলে সংবাদপত্রে প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের এক শ্রেণির কর্মকর্তাও এর সঙ্গে জড়িত বলে এসব প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সাক্ষাৎকারের তারিখ পেতে একজন আবেদনকারীকে দশ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে- পাওয়া গেছে এমন অভিযোগও। এই দালালদের অনেকে নিজেদের ট্র্যাভেল এজেন্ট বলে পরিচয় দিলেও তাদের আয়ের একটি বড় অংশ ই-টোকেনের ‘বাণিজ্য’ থেকে আসে বলে গণমাধ্যমের খবর।

একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জানিয়েছেন, ভারতের ভিসার ই-টোকেন পেতে সম্প্রতি তাকে এ ধরনের এক ট্র্যাভেল অ্যাজেন্টকে তিন হাজার টাকা দিতে হয়েছে।

শোনা যাচ্ছে ভারত সরকার টোকেন পদ্ধতি তুলে দিয়ে ৫ বছরের জন্য ভিসা দেয়ার কথা ভাবছে। এটা হলো সবার জন্যই ভালো হবে।

যেকোনো এয়ার লাইনের  বিমান টিকেট: www.cholbe.com

এ ব্যাপারে যোগাযেগ করুন: ০১৭০৯ ৯৬২৭৯৭ (চলবে ডট কম, বিমান টিকেট)

 

সূত্র: বাংলা নিউজ

Published : ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ | 2151 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798