অন্য এক কক্সবাজার

Published : অক্টোবর ২১, ২০১৬ | 1556 Views

অন্য এক কক্সবাজারের গল্প

জাহাঙ্গীর আলম শোভন

কক্সবাজারের কথা মনে পড়লেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে সমুদ্র উপকূল আর আছড়ে পড়া ঢেউ। এর বাইরেও যে কক্সবাজারের সৌন্দর্য আছে সেকথা আমরা বেমালুম ভুলে যাই। আছে পাহাড়ের সমারোহ, তার গায়ে ঢলেপড়া সবুজ বনানী। আছে একটু উচু নিচু বন বাদাড়। শত শত প্রজাতীর গাছ গাছলির মাঝে হাজারো প্রজাতীর প্রানীকূল সেখানে বেঁচে রয়েছে। কক্সবাজার হলো চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৫২ কিঃমিঃ দক্ষিণে। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব ৪১৪ কি.মি.। এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত যা কক্সবাজার শহরের পাশ দিয়ে ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশান।

img_20160323_133303
দেশ দেখা শিরোনামে গত ১২ ফ্রেব্রুয়ারী ২০১৬ থেকে ২৮ বা ২৯ মার্চ পর্ন্ত হেটে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফে আমি যে পদযাত্রা সম্পন্ন করেছি। তাতে কক্সবাজারের অন্যরুপটাও খুব কাছ থেকে ঠান্ডা মাথায় দেখার সুযোগ হয়েছিলো আমার। ২২ মার্চ আমি চট্টগ্রামের লোহাগড়া ও চুনুতি পেরিয়ে কক্সবাজার প্রবেশ করি। সেদিন সকালে এক পশলা ঝুম বৃাষ্ট পুরো পরিবেশটাকে কিছুটা শান্ত করতে পেরেছিলো বটে কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের তেজ আর ভ্যাপসা গরম দুটোই বেড়ে চলেছিলো। বনের মাঝে প্রথমদিকে কিছু বানিজ্যিক ডেইরী ফিডিং ফার্ম থাকলেও পরে কিছু ঘরবাড়ী এমনকি দোকানপাঠ দেখা যায়। ফলে ওসব জায়গায় গরমে হাশফাশ হয়ে আমি ঘন ঘন বিশ্রাম নিচ্চিলাম। কয়েকটি হাইওয়ে রেস্টুরেন্টও পড়ছিলো। যাই হোক এসব পেরিয়ে প্রথম যে জায়গাটি পেলাম তাহলো চুনুতি প্রাকৃতিক ব্যাখা কেন্দ্র। এর দ্বারা কি বোঝানো হয়েছিলো জানি না।

img_20160324_171253পাহাড়ী বন পেরুনোর সময় একটার পর একটা বনরেঞ্চ পার হতে হবে। কক্সবাজার জেলার সীমার মধ্যে রয়েছে ফাসিয়াখালি অভয়ারন্য। মাটির দেয়াল গাঁথা দরিদ্র মানুষদের বসতি আর দেখবেন প্রভাবশালীদের বিভিন্ন বানিজ্যিক কার্যক্রম। একসময় আপনার সামনে চলে আসবে ডুলাহাজরা সাফারীপার্কি বর্তমানে এর নাম বঙ্গব্ন্ধূ সাফারী পার্ক। নানাপ্রকার গাছগাছালীর সাথে বিভিন্ন বন্যপ্রানী আপনার সাথে দেখা করার জন্য সেখানে অপেক্ষা করছে। রয়েছে বাঘ সিংহ সহ বেশ কয়েকজাতের পাখিও। কক্সবাজারের কথা মনে পড়লেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে সমুদ্র উপকূল আর আছড়ে পড়া ঢেউ। এর বাইরেও যে কক্সবাজারের সৌন্দর্য আছে সেকথা আমরা বেমালুম ভুলে যাই। আছে পাহাড়ের সমারোহ, তার গায়ে ঢলেপড়া সবুজ বনানী। আছে একটু উচু নিচু বন বাদাড়। শত শত প্রজাতীর গাছ গাছলির মাঝে হাজারো প্রজাতীর প্রানীকূল সেখানে বেঁচে রয়েছে। কক্সবাজার হলো চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৫২ কিঃমিঃ দক্ষিণে। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব ৪১৪ কি.মি.। এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত যা কক্সবাজার শহরের পাশ দিয়ে ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশান।
দেশ দেখা শিরোনামে গত ১২ ফ্রেব্রুয়ারী ২০১৬ থেকে ২৮ বা ২৯ মার্চ পর্ন্ত হেটে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফে আমি যে পদযাত্রা সম্পন্ন করেছি। তাতে কক্সবাজারের অন্যরুপটাও খুব কাছ থেকে ঠান্ডা মাথায় দেখার সুযোগ হয়েছিলো আমার। ২২ মার্চ আমি চট্টগ্রামের লোহাগড়া ও চুনুতি পেরিয়ে কক্সবাজার প্রবেশ করি। সেদিন সকালে এক পশলা ঝুম বৃাষ্ট পুরো পরিবেশটাকে কিছুটা শান্ত করতে পেরেছিলো বটে কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের তেজ আর ভ্যাপসা গরম দুটোই বেড়ে চলেছিলো। বনের মাঝে প্রথমদিকে কিছু বানিজ্যিক ডেইরী ফিডিং ফার্ম থাকলেও পরে কিছু ঘরবাড়ী এমনকি দোকানপাঠ দেখা যায়। ফলে ওসব জায়গায় গরমে হাশফাশ হয়ে আমি ঘন ঘন বিশ্রাম নিচ্চিলাম। কয়েকটি হাইওয়ে রেস্টুরেন্টও পড়ছিলো। যাই হোক এসব পেরিয়ে প্রথম যে জায়গাটি পেলাম তাহলো চুনুতি প্রাকৃতিক ব্যাখা কেন্দ্র। এর দ্বারা কি বোঝানো হয়েছিলো জানি না।
আমি আমার মালপত্র এক জায়গায় রেখে বনের ভেতর কিছুটা প্রবেশ করলাম সত্যি অনিন্দ সুন্দর ছিলো এটি। আমার কাছেতো এটা অপ্রত্যাশিত। হঠাৎ দেখলাম বনের ভেতর দিয়ে কাঠ কেটে দিয়ে যাচ্ছে। এবং এই কাজে শিশুদের ব্যবহার করছে। সেখানে ব্যাখাকেন্দ্রের গেটেও কাউন্টার রয়েছে কিন্তু কোনো মানুষের দেখা পেলাম না। একটু ভেতরে ঢুকে দেখি আরো কিছু লোক চুরি করে গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। ছবি তুলছি দেখে গাছ রেখে পালিয়ে গেলো।

img_20160323_130209
পাহাড়ী বন পেরুনোর সময় একটার পর একটা বনরেঞ্চ পার হতে হবে। কক্সবাজার জেলার সীমার মধ্যে রয়েছে ফাসিয়াখালি অভয়ারন্য। মাটির দেয়াল গাঁথা দরিদ্র মানুষদের বসতি আর দেখবেন প্রভাবশালীদের বিভিন্ন বানিজ্যিক কার্যক্রম। একসময় আপনার সামনে চলে আসবে ডুলাহাজরা সাফারীপার্কি বর্তমানে এর নাম বঙ্গব্ন্ধূ সাফারী পার্ক। নানাপ্রকার গাছগাছালীর সাথে বিভিন্ন বন্যপ্রানী আপনার সাথে দেখা করার জন্য সেখানে অপেক্ষা করছে। রয়েছে বাঘ সিংহ সহ বেশ কয়েকজাতের পাখিও।
যারা কক্সবাজার ঘুরতে যান তারা যদি ২/১ দিনের বেশী থাকেন। তাহলে নিশ্চয় আশপাশের অন্যান্য স্থান দেখতে গিয়ে থাকেন। তাদের জন্য এটা প্রথম দ্বিতীয় না হলেও তৃতীয় গন্তব্য হতেই পারে। ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র রয়েছে পাহাড়ী বনকে ঘিরে। বনপাহাড়ের ভেতরে রয়েছে চমৎকার গিরিপথ। ট্র্যাকিং এর আদর্শ পথ। কিছু পথে হাঁটু পানি থাকে বর্ষায়। এখানে নানা প্রজাতির গাছগাছালি ও পশুপাখি রয়েছে। ভাগ্যভালো হলে দেখা পেতে পারেন হাতির। তবে নিরাপত্তা বা অন্যান্য কারণে সেখানে বনবিভাগের যে অফিস আছে তাদেরকে জানিয়ে তাদের অনুমতি নিয়ে বনের ভেতর প্রবেশ করা ভালো। আরো ভালো হয় একটা মানচিত্র নিয়ে গেলে।
জায়ড়াটার নাম মোমেনের ডেল। এখানে মেরিনড্রাইভ রোড এর কয়েকশমিটার পাশ দিয়ে পুরনো গ্রামীন রাস্তা। দুটো রাস্তা পাহাড় আর সমুদ্রকে পাশে রেখে চলে গেছে সমান্তরাল ভাবে। কখনো কখনো দুটো রাস্তা খুব কাছে চলে আসে। মেরিন ড্রাইভ রোডটা নতুন তবে এটা শাপলাপুর বাজার পর্যন্ত হয়ে গেছে। মেরিন ড্রাইভ রোড এর পশ্চিমপাশে জমি কেনা বেচা বেআইনি। কিন্তু পূর্ব পাশে তা নয়। ফলে ইনানী থেকেও আরো কয়েক কিলোটামর দূর পর্যন্ত প্লটগুলো বিক্রি হয়ে আছে। ঢাকা চট্টগ্রামের সচ্চল লোকদের কাছে। কেউ হোটেল বানাবেন কেউবা রেস্ট হাইস, কেউ হয়তো হ্যাচারী কিংবা ডেইরি ফার্ম। গ্রামের বাড়ীগুলোতে নারিকেল সুপারের বাগান আর পানের বরজ ভিন্ন এক মাত্রা দিয়েছে এই পথকে।

 

যারা কক্সবাজার ঘুরতে যান তারা যদি ২/১ দিনের বেশী থাকেন। তাহলে নিশ্চয় আশপাশের অন্যান্য স্থান দেখতে গিয়ে থাকেন। তাদের জন্য এটা প্রথম দ্বিতীয় না হলেও তৃতীয় গন্তব্য হতেই পারে। ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র রয়েছে পাহাড়ী বনকে ঘিরে। বনপাহাড়ের ভেতরে রয়েছে চমৎকার গিরিপথ। ট্র্যাকিং এর আদর্শ পথ। কিছু পথে হাঁটু পানি থাকে বর্ষায়। এখানে নানা প্রজাতির গাছগাছালি ও পশুপাখি রয়েছে। ভাগ্যভালো হলে দেখা পেতে পারেন হাতির। তবে নিরাপত্তা বা অন্যান্য কারণে সেখানে বনবিভাগের যে অফিস আছে তাদেরকে জানিয়ে তাদের অনুমতি নিয়ে বনের ভেতর প্রবেশ করা ভালো। আরো ভালো হয় একটা মানচিত্র নিয়ে গেলে।
জায়ড়াটার নাম মোমেনের ডেল। এখানে মেরিনড্রাইভ রোড এর কয়েকশমিটার পাশ দিয়ে পুরনো গ্রামীন রাস্তা। দুটো রাস্তা পাহাড় আর সমুদ্রকে পাশে রেখে চলে গেছে সমান্তরাল ভাবে। কখনো কখনো দুটো রাস্তা খুব কাছে চলে আসে। মেরিন ড্রাইভ রোডটা নতুন তবে এটা শাপলাপুর বাজার পর্যন্ত হয়ে গেছে। মেরিন ড্রাইভ রোড এর পশ্চিমপাশে জমি কেনা বেচা বেআইনি। কিন্তু পূর্ব পাশে তা নয়। ফলে ইনানী থেকেও আরো কয়েক কিলোটামর দূর পর্যন্ত প্লটগুলো বিক্রি হয়ে আছে। ঢাকা চট্টগ্রামের সচ্চল লোকদের কাছে। কেউ হোটেল বানাবেন কেউবা রেস্ট হাইস, কেউ হয়তো হ্যাচারী কিংবা ডেইরি ফার্ম। গ্রামের বাড়ীগুলোতে নারিকেল সুপারের বাগান আর পানের বরজ ভিন্ন এক মাত্রা দিয়েছে এই পথকে।

Published : অক্টোবর ২১, ২০১৬ | 1556 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798