• প্রচ্ছদ
  • /
  • ভ্রমণ
  • /
  • মেধা কচ্ছপিয়া: সৌন্দর্য যেখানে গাছের ডালে পাতার আড়ালে

মেধা কচ্ছপিয়া: সৌন্দর্য যেখানে গাছের ডালে পাতার আড়ালে

Published : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৬ | 2648 Views

মেধা কচ্ছপিয়া

মেধা কচ্ছপিয়া, সৌন্দর্য যেখানে গাছের ডালে পাতার আড়ালে লুকিয়ে আছে

জাহাঙ্গীর আলম শোভন

Jahangir Alam Shovon

মেধা কচ্ছপিয়াকে ২০০৪ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে এসব স্থানীয় গ্রাম কিংবা পাড়া গুলো মূলতঃ কৃষিকাজ, লবন চাষ ও মৎস্য চাষের উপর নির্ভরশীল। মানুষ ও প্রকৃতির এক নিবিড় মিতালী এখানে যুগযুগ ধরে সহাবস্থানের মাধ্যমে এই বন মানুষের চাহিদা মিটিয়ে চলেছে অবিরত।

শাল সেগুনের সাথে এখানে এই উপমহাদেশে  অল্প কিছু গর্জন বন আজও মাথা উঁচু করে আছে। বসন্তে মাটিতে পড়ে থাকে গর্জনফুল। ফুলের গন্ধে মেতে থাকে চারদিক। যেন ফুলেল গালিচা বিছানো পথ বনের ভেতর দিয়ে চলে গেছে বহুদুর। বনের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় কখনো মনে হয়না নিরবতা কিংভা একাকীত্ব চারদিকে সবুজ গাছালী আর মাথা উচু করে দাড়িয়ে থাকা গর্জনকে মনে হয় চলার পথের সাথি।  পায়ে হেঁটে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ ভ্রমনের সময় এই এলাকা পার হওয়ার সময় আমার অন্তত তাই মনে হয়েছিলো। একবারও নিজেকে একা মনে হয়নি। মনে হয়েছিলো গাছেরা যেন সঙ্গ দিচ্ছে, কথা বলছে, স্বাগত জানােচ্ছে আর সাহস জোগাচ্ছে। প্রকৃতিকে ভালোবাসতে পারলে আর কাছে যেতে পারলে প্রকৃতির অন্তরের ধ্বনি শুনতে পাওয়া যায়।

 Jahangir Alam Shovon_094729

এ বনের প্রধান বৃক্ষরাজির মধ্যে বিশালাকৃতির গর্জন ছাড়াও রয়েছে ঢাকিজাম, ভাদি, তেলসুর ও চাপালিশ। এখানে বানর ও হাতিরা বাস করে। এর মধ্যে মোট আয়তন ৩৯৫.৯২ হেঃ। এখানকার বনের প্রকৃতি হলো ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন। এ উদ্যানটি কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন। পার্কটির ১ থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে আনুমানিক ১৮৩০৫ জন লোকের ৩৫২৩টি পরিবার বসবাস করে। রোহিঙ্গা শরনার্থীদের কারনে এ সকল জনগোষ্টিতে ক্রমান্বয়ে জন সংখ্যার চাপ বাড়ছে। সরকার একে রক্ষার জন্য এখানে কিছু কৃত্রিম বনায়ন করেছে। নিয়মিত বন পাহারার ব্যবস্থা করেছে। এখানকার বননির্ভর মানুষগুলোকে বিকল্পপেশার জন্য উদ্ভুদ্ধ করছে। তা সত্বেও বন থেকে কাঠ কেটে নেয়া হয়। চোরাকারবারিরা কখনো কখনো হাতি শিকার করতেও শোনা যায়। আবার বনে হাতিদের খাবারের অভাব দেখা দিলে তারা কখনো কখনো লোকালয়ে হানা দেয়।

তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ
এটি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-মহাসড়ক সংলগ্ন এ পার্কটিতে চট্টগ্রাম কিংবা কক্সবাজার হতে সড়ক পথে সহজেই আসা যায়। কক্সবাজার যাবার পথেই পড়ে এই বন। কেউ চাইলে বনের গভীরে গিয়ে হেঁটে বা দেখে আসতে পারেন। বনের মধ্যে পায়ে চলার পথ রয়েছে। তবে বনবিভাগের নিকটস্থ অফিসের অনুমতি নিয়ে বনে প্রবেশ করা ভালো। বনের গাছেরা আপনাকে শেখাবে কিভাবে অন্যের জন্য বেঁচে থাকতে হয়।

By: Jahangir Alam Shovon

ছবি: লেখক

Published : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৬ | 2648 Views

  • img1

  • সেপ্টেম্বর ২০১৬
    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    « আগষ্ট   অক্টোবর »
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • Helpline

    +880 1709962798