ভ্রমণ কাহিনী: সৌদি আরবের জিজান প্রদেশ

Published : আগস্ট ১৪, ২০১৬ | 3452 Views

জিজান, সৌদি আরব

মরুর দেশের অন্যরুপ:   সৌদির আরবের জিজান প্রদেশ ভ্রমণ

1জিজান, সৌদি আরব

রেজাউল হক হেলাল

বিশ হাজার গ্রাম নিয়ে সৌদি আরবের জিজান প্রদেশ। দিগন্ত জুড়ে হাজার বছরের প্রকৃতির নিরবতা। প্রায় আট হাজার বছরের প্রাচীন আরব বসতি জিজান। মানব সভ্যতার উত্থান-পতনের দীর্ঘ ইতিহাস আর কিংবদন্তি ভরা এক মরু আঞ্চল।  সীমান্তের ওপারে  খুব কাছে ইয়েমেন ঐতিহাসিক সানা নগরি। আমি সামতা শহরে বসে স্মৃতিচারণ লেখা শুরু করি।

২০১০ সালে প্রথমবার মক্কা থেকে সারা রাত গাড়ি চালিয়ে শিশির সিক্ত সোনালি প্রভাতে জিজান গিয়েছিলাম।  ‘বছর আগেও এলাকাটি ছিল ইয়েমেনের একটি জেলা। লোহিত সাগরের কুল ঘেঁসে ইয়েমেন সীমান্তে ছোট প্রদেশ। দিগন্ত বিস্তৃত মরুর বুকে এক চিলতে সবুজের সমারোহ। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ক্ষেত-খামারের সাথে জিজানের কিছুটা মিল আছে। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পৃথিবীর বিভিন্ন জাতির উথান-পতনের কথা জ্ঞান পিপাসুদের অজানা থাকার কথা নয়। নূহের প্লাবনের  দীর্ঘ নিরবতার পর পুনরায় মানব সভ্যতা বিকশিত হতে থাকে। সেকালে আদ ,ইরাম এবং সামুদ জাতির দাপটে সারা বিশ্ব কেঁপে উঠত। তাদের সুউচ্চ স্মৃতি-সৌধ, দালান-কোঠা, অট্টালিকা তুফান আর ভূমিকম্পে ধ্বংস হয়ে যায়। এখন নির্জন নির্বাক বালিয়াড়ি পাহাড়ি পরিবেশ। চারদিক যেনো এক মৃত্যুর বেলাভূমি। দূরে দূরে কিছু গ্রাম, কিছু সড়ক তৈরি হচ্ছে।২০১০ এবং ২০১৪ সালে সড়ক পথে আদ ও সামুদ  জাতির ধ্বংস প্রাপ্ত এলাকা ভ্রমণ করেছি, ২০১৫ সালের ২২ মার্চ দামাম থেকে জেদ্দা হয়ে ফ্লাই নাস বিমানে জিজান গিয়াছি।

আরব মানচিত্রের রোবাল আল-খালী নামক বিশাল মরুভুমির বুকে এখন গড়ে উঠছে শোয়েবা নামক খনিজ সম্পদ ভিত্তিক একটি শিল্প নগরী। দুবাই ওমান ও ইয়েমেনের নিকটে শোয়েবা মরুভুমি। চারদিকে হাজার হাজার মাইল জনশূন্য। ইদানিং দুর্গম পাহাড়-বেলাভূমি কেটে কিছু রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। মরুভুমির নিচে লুকিয়ে থাকা খনিজ সম্পদ নিয়ে কাড়াকাড়ি চলছে। খনন কালে পাওয়া গেছে আদ জাতীর লোকদের  বিশাল বিশাল কঙ্কাল, ধ্বংস প্রাপ্ত ঘরবাড়ি। সাত রাত আট দিন সাইক্লোন চালিয়ে ইতিহাসের অন্যতম ক্ষমতাধর জাতিকে মহান আল্লাহ ধ্বংশ করেন। হুদ আঃ নামক সেকালের বিখ্যাত নবী চার হাজার অনুসারী নিয়ে একটি কৃষি খামারে নিরাপদে ছিলেন। অহংকারি নাস্তিকদের এই পতন কতো ভয়ংকর ছিল রোবাল আল খালীর সাহারা-বৈদ্যভুমি তার জ্বলন্ত সাক্ষি। আজো সেখানে গাছের শিকড় ওপরের দিকে, অজস্র বিরান কৃষি খামার, মৃত নদী, বিধ্বস্ত পাহাড় আর লাল বালুর নিচে ঢেকে আছে কতো প্রাচীন জনপদ। প্রায় আট হাজার পূর্বে ঘটে যাওয়া গজব কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। নাজরানের পশ্চিমে মরু আর সৈকতের মাঝে জিজান নগরী গড়ে উঠেছে। কাল্বি ও সুদ্দি রহঃ বলেছেনঃ সেকালে তাদের লম্বা লোকদের দৈর্ঘ্য ছিল ১০০ হাত এবং খাটো লোকদের দৈর্ঘ্য ছিল ৭০ হাত। তাদের একজনের মাথা ছিল একেকটি তাবুর মতো। আমিরাত, ওমান থেকে আভা-নাজরান-খামিস-জিজান, জিজান হয়ে লোহিত সাগরের তীর ঘেঁসে হিজাজ হয়ে ইরাকের সিমানা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল আদ জাতির দেশ। জিজান এসেছিলাম বক্তিগত কাজে। এর ফাঁকে ফাঁকে এখানকার মানুষের বৈচিত্র্যময় জীবন, মরুভূমি আর পাহাড়-সাগরের মিতালি, ক্ষেত-খামার, ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতি আমাকে মুগ্ধ করে, লোকাল আরবদের সাথে মিশতে চেষ্টা করি এবং একটি আর্টিকেল লেখার ইচ্ছে জাগে।

জিজানি পুরুষদের কোমরে চাকু,  মাথায় ফুলের মালা দেখে জানতে চাই-এশ হাজা ? এই ফুল এই তলোয়ার-চাকু আবহমান কাল ধরে চলে আসা আরব ইয়েমেন সংস্কৃতির অঙ্গ। ভাল কাজ করলে ওরা ফুল দেবে, মন্দ করলে তলোয়ার প্রস্তুত। এমন এক মরু বেদুঈন রাজ্যে এসেছি ঠিকেদারি তেজারত করতে। মোবাইল টাওয়ার দুর্বল থাকায় সবার সাথে যোগাযোগ কষ্টকর। বিশাল ভুট্টা ক্ষেত, গাড়ি থামিয়ে কাঠে পোড়া ভুট্টা খেলাম। কিছুটা দেশীয় আমেজ। কয়েক হাজার ইয়েমেনি এখন সৌদি আরবের নাগরিক। তাদের জন্য নতুন প্রজেক্ট- হাউজিংফর মাইগ্রেশন, পাওয়ার প্লান্ট, বিমান বন্দর, নৌবন্দর হাসপাতাল,সড়ক, পার্ক, স্কুল, সেনা নিবাস ইত্যাদি। আরব, চীন, কোরিয়া ও জাপানের কয়েক ডজন কোম্পানি ওসব মেঘা প্রজেক্টের ঠিকেদারি করছে। ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ-নেপালিরা শ্রমিক সরবরাহের প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

এই অঞ্চলে জিজান সিটি, সাবিয়া, সামতা, বেইশ,  দরব, শাকিক, লেইচ,  হাবিল, হাকু, আজুমা, আভা, খামিস,সালামা,লায়লা সহ বহু গ্রাম-শহরে ঘুরেছি। বেইশ শহরের লেডিজ মার্কেটে একটি ছোট্ট চা দোকানে মহিলা দোকানি দেখে আমার সফর সঙ্গী আবু নাসের সোহাগ এগিয়ে যান এবং বলেন, ইয়া উখতি-আতিনি সাই, আরবি মহিলাকে বোন সম্বোধন করায় তিনি চায়ের সাথে জিলাফি ফ্রি দিয়েছিলেন। মনে হয় অন্যান্য আরব প্রভিঞ্চ-এর মতো জিজানিরা এতো অহংকারী ও ক্রিটিকাল নয়। তা ছাড়া বেদুঈন এখন আর বেদুঈন নাই। বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষতা আর উন্নতির হাওয়া সর্বত্র। ওবামা নামক জিজান ইউনিভার্সিটির এক ছাত্রের কম্পিউটার শপে দোস্তি হল। আরবি ভাষা প্রসঙ্গে আমাদের বিস্তর তর্ক হয়, সে দাবী করলো-আরবি ভাষা এক সমৃদ্ধ জীবন্ত ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। কোরআন যখন পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয় তখন যে সকল ভাষায় সাহিত্য রচনা হতো তা ছিল মৃত। স্পেন চীন তুর্কি আফগান ভারত ইত্যাদি দেশে আরবি ভাষা ও  লিপির ব্যাবহার ছিল। সেকালে পৃথিবী জুড়ে রাষ্ট্রের সংখ্যা তিরিশটি থাকলেও তাদের ভাষা ছিল অনেকটা হেঁয়ালির কুহেলিকা মোড়ানো। ভাব ভাষা ছন্দ এসব বজায় রেখে সাহিত্য রচনার সমৃদ্ধশালী  প্রাচিন ভাষা হচ্ছে আরবি।  ইসলামের প্রসার ও জনপ্রিয়তা আরবি ভাষাকে বিশ্বের আনাচে-কানাছে, দ্বীপ থেকে দীপান্তরে পৌছিয়ে দিয়েছে। পরে ছাত্রের সাথে জিজানিদের একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদান এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভিজিটের সুযোগ পাই। আরব দেশের সেসব ভিন্ন রকম স্মৃতি আর অভিজ্ঞতা আমার চিন্তার জগতে এখনো দোল খায়।

লোহিত সাগরের পূর্ব তীরে ছোট্ট শহর শাকিক। লোহিত সাগরের পশ্চিম তীরে সুদান, মিশর, ইরিত্রিয়া। পড়ন্ত বিকেলে গিয়েছিলাম সমুদ্র স্নানে। আভা-খামিসের পাহাড়ি আরবি সৈকত বিলাসীদের ভিড়ে যেন হারিয়ে যাই। সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে এসেও মেয়েদের সতভাগ পর্দা এবং শালীন পোশাক মুমিনের মন কাড়ে। আজানের সাথে সাথে সবকিছু থমকে দাঁড়ায়। দেশের সর্বস্তরের মানুষের জন্য নামাজের বিরতি, এটা সরকারী নির্দেশ। উত্তাল তরঙ্গের তীরে সাপ্তাহিক মিলন মেলা উপভোগ করার মতো।বেইশ শহর থেকে ২৫ কিঃ পশ্চিমে লোহিত সাগরের তীরে চীন-কোরিয়ান-বাংলাদেশিরা মিনা পোর্ট,পাওয়ার প্লান্ট এবং কিং আব্দুল্লাহ সিটি নির্মাণের কাজ করছে। ওই এলাকার প্রাচীন বেদুঈন বশতি গুলো ইদানিং সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

জিজানের সব শহরে লেডিজ মার্কেট , লেডিজ ব্যাংকিং এবং মহিলাদের জন্য মসজিদের ব্যবস্থা রয়েছে। জিজানের সাংস্কৃতিক ও নাগরিক জীবনে ইসলামি ভাবধারা লক্ষণীয়। মেয়েরা পর্দার সাথে কৃষি ফার্মে, স্কুল-কলেজ, বাজারে যাচ্ছে, মসজিদে যাচ্ছে, সাপ্তাহিক বাজারে ও মেলায় যাচ্ছে, উট-গাধায় চড়েও কাজে যাচ্ছে- কোন ইভতিজিং নাই। অশ্লীল বা বে-আব্রু পোশাকের মেয়ে যে দেশে যত বেশী, সে দেশে ততবেশি ইভতিজিং ও নারী নির্যাতন হয়। ক্ষুদ্র জীবনে পৃথিবীর চৌদ্দটি দেশ ভ্রমণ করে এই মন্তব্য করছি। জিজানের প্রত্যেক এলাকায় ইসলামী শরিয়া কাউন্সিল আছে, সরকারী ভাবে ইসলাম প্রচার কেন্দ্র আছে। একটি সুখি জাতি বলতে জা বুঝায়, তার সবকিছু বিদ্যমান। জীবন-জীবিকার তাগিদে প্রায় তিরিশ হাজার বাংলাদেশী জিজানে অবস্থান করছে। মুল শহরে সুদান, মিশর, ইরিত্রিয়া বাংলাদেশ ও ইন্দিয়ানদের হাইস্কুল রয়েছে। জিজানের ক্ষেত খামার, আম ও বিশাল কলা বাগান দেখে বাংলাদেশের সবুজ প্রাকৃতিক দৃশ্যের কথা মনে পড়ে।

প্রয়াত বাদশাহ আব্দুল্লাহর নানাবাড়ি জিজান, তাঁর নামে প্রদেশ জুড়ে অনেক সড়ক ও  প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ইয়েমেন, ইথিওপিয়া, জিবুতি, ইরিত্রিয়া, সুদান, সোমালিয়া জিজান থেকে কাছে। তাই এই পথে সৌদি আরবে কালো লোকদের অনুপ্রবেশ ঘটে। জিজানের পাহাড়, শুকনো নদী আর ধু-ধু মরুভূমি দেখে কেবল অতীতের ইতিহাস হাতড়ে বেড়াই। প্রিয় নবী মুহাম্মদ সঃ এর স্মৃতিধন্য জিজান হাজার বছর ধরে ইয়েমেনের অংশ ছিল। সেকালে মুয়াজ বিন জাবাল নামক একজন সাহাবাকে ইয়েমেনের শাসনকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে মদিনা থেকে পাঠানো হয়েছিল। তিনি এতই জনপ্রিয় শাসক ছিলেন, আজো তার নামে ইয়েমেন জুড়ে স্কুল, সড়ক, এভিনিউ রয়েছে। অনেক সাহাবি সানা, এডেন, হাজারাল মাউত,হাবাশা ভ্রমণকালে জিজানে যাত্রা বিরতি করেছিলেন।

জিজান থেকে দামাম ফিরবো বলে কিং আব্দুল্লাহ বিমান বন্দরে যাই। পরিস্থিতি সব বদলে গেছে। চারদিকে কেবল যুদ্ধের আতংক। লোকেরা বলাবলি করছে- সৌদি সরকারের নেতৃতে ইসরাইলে হামলা না করে একটি মুসলিম দেশের নিরীহ লোকদের নির্মম ভাবে বিমান হামলা করছে, আসলে কি হচ্ছে ইয়েমেনে?

মাত্র ২% শিয়া মুসলিম ইয়েমেন দখল করতে পারে? প্রেসিডেন্ট হাদি পালাবে কেন? সৌদির কাছে অস্ত্র বিক্রির ইস্যু সৃষ্টি করা? ইরানকে ক্ষেপীয়ে যুদ্ধে নামিয়ে দুর্বল করে ইসরায়েলকে চিরস্থায়ী করার ষড়যন্ত্র? পশ্চিমা মিডিয়া যেসব খবর প্রচার করছে তা কি সঠিক? তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য মার্কিনদের তাড়াহুড়া না-কি ? পর্দার আড়ালে কে কার স্বার্থ নিয়ে খেলছে- হলুদ সাংবাদিকতার কারণে জনতা এখন ধুম্রজালে। বিশ্বজুড়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের অভিযোগ বাড়ছে ? রাষ্ট্র মানে মগ আর পিগমির উল্লাস ? মাইট ইজ রাইট বা ডিভাইটেড এন্ড রুল-  এসব  নষ্ট সুত্র ছেড়ে বিশ্বমোড়লগণশান্ত হতে চান ?ট্যাক্সি চালক সহ যাত্রীরা নানা মন্তব্য করেন। আরব আমিরাতে হিন্দু মন্দির স্থাপিত হল সে ব্যপারে সৌদি আরব নীরব, দুর্বল দেশ ইয়েমেনে শিয়া বিদ্রোহীদমন ইসলাম রক্ষার একশান হলে সাউদিকে সাধুবাদ জানাই। আমি প্রবাসী বা আজনবি, আমরা নিরব দর্শক মাত্র। ইয়েমেনে হামলার কারণে সাউথের  আভা, নাজরান ও জিজান এই তিনটি বিমানবন্দর সাধারণ যাত্রী চলাচল বন্ধ। রিটার্ন টিকেটের রিয়াল ফেরত পাই। ট্যাক্সি নিয়ে পাহাড়ি শহর আভা আসতে হল।

আমরা যখন পাহাড়ি রাস্তা ধরে মেঘের কাছাকাছি গেলাম, সেই ভেজা ভেজা সন্ধ্যা ছিল চমৎকার। অন্য রকম এক সৌদি আরব দেখলাম। দার্জিলিং বা নেপালের কাঠমান্ডুর পাহাড়ি সড়ক থেকেও আভার পাহাড়ি সড়ক ভয়ংকর। পাহাড়ের ওপরের ব্রিজ গুলো মোহনীয় ভঙ্গিতে তৈরি করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দৃশ্য গুলো পর্যটকদের যেন ব্যকুল করে তোলে। খামিস শহরে নেমে ভগ্নিপতি নিজাম উদ্দিনকে পাই। খামিসের মুসা নামক স্থানে একরাত আরাম করি। সাপকোবাসে আবার দুই হাজার কিঃ মিঃ  ভ্রমণ শুরু করি। পথে রিয়াদে আমিন আলীর বাসায় একরাত যাত্রা বিরতি। সৌদি আরব ভূখণ্ডের পাঁচভাগও ব্যাবহারের আওতায় আসেনি। হাজারো মাইল জনমানব শুন্য নির্জনতায় পড়ে রয়েছে। তবুও তারা নাগরিকত্ব দিচ্ছেনা। কোথাও এক টুকরো জমির জন্য রক্তারক্তি, কোথাও হাজারো মাইল অনাবাদি। সুন্দর এই পৃথিবীর সৃষ্টি, ইতিহাস এবং পরিণতি যেন রহস্যে ভরপুর। অনন্তকাল স্রোতের মধ্যে বুদবুদের মতো মানুষের জীবন, অবিরত ফুটছে আর ঝরছে, দুনিয়ার খেলাঘরে কয়টি মুহূর্ত কাটিয়ে দেয়ার জন্য কি তার আয়োজন, আর নিজের শক্তির পরিচয়ে কি তার আনন্দ। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ট্যুরিজমের কথা বলেছেন-সিরু ফিল আরদ, উঞ্জুর , কাইফা কানা আকিবাতুল মুকাজ্জিবিন। অর্থাৎ পৃথিবী ভ্রমণ কর, যুগে যুগে মিথ্যুকদের কি পরিণতি হয়েছিলো দেখতে পাবে।

লেখকঃ সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক, কবি ও কলামিস্ট

বিজ্ঞাপন:

আপনার ভ্রমণকে নিরাপদ ও আনন্দময় করতে আপনার পাশে রয়েছে চলবে ডট কম। আপনি দেশের যেকোনো জায়গায় ভ্রমণের জন্য চলবে ডট কম এর সেবা নিতে পারেন। বিমান টিকেট, বাস টিকেট, ট্রেন টিকেট, লঞ্চ টিকেট, হোটেল বুকিং ও মোবাইলে অনলাইনে ফ্লেক্সিলোড, টপআপ, রিলোড, ইফিল, রিফিল, রিচার্জ করার জন্য অবশ্যই আসুন www.cholbe.com এ। চলবে ডট কম এর কাস্টমার কেয়ার নাম্বারে যোগাযোগ করুন যেকোনো সেবা পেতে। ফোন: 01709 962797। বিমানের টিকেট ছাড়াও ট্যুরিস্ট ভিসা প্রসেস ও ট্যুর অপারেট করার জন্য চলবে ডট কম বিশ্বস্ত নাম। আপনি চলবে.কম এর সাথে যোগাযোগ করতে যুক্ত থাকুন ফেসবুকে পেজের সাথে https://www.facebook.com/CholbeTeam.

Published : আগস্ট ১৪, ২০১৬ | 3452 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798