নারায়নগঞ্জের রিসোর্ট সমূহ

Published : অক্টোবর ১০, ২০১৭ | 3121 Views

চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]

  • পানাম নগরসোনারগাঁও
  • (অধুনা লুপ্ত) আদমজী জুট মিল
  • সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের সমাধি (১৩৮৯১৪১১)
  • বাবা সালেহ মসজিদ (১৪৮১)
  • গোয়ালদী মসজিদ (১৫১৯)
  • সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ (১৪৮৪)
  • হাজীগঞ্জের দূর্গ
  • সোনাকান্দা দুর্গ
  • কাঁচপুর ব্রিজ
  • কদমরসুল দরগাহ
  • বন্দর শাহী মসজিদ
  • লোকশিল্প জাদুঘর
  • বিবি মরিয়মের সমাধি
  • লাঙ্গলবন্দ মন্দির (পূন্যস্নানের জন্য হিন্দু ধর্মালম্বীদের র্তীথস্থান)
  • মেরি এন্ডারসন (পর্যটনের ভাসমান রেস্তোরা)’:
  • জাতীয় ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম (৩য়), ফতুল্লা
  • এডভ্যানচার ল্যান্ড

 

 

হোটেল রিসোর্ট

মেসার্স হোটেল বিক্রমপুর, আবাসিক, সাং-মুক্তিনগর, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।

সিংগেল রুম ১টি নন-এসি

ডাবল রুম-৯টি নন-এসি

সিংগেল ১০০/-

ডাবল-১৫০/-

ফোন নং- ০১৫৫৩৩৬১৭৩২

ফ্যাক্স নং-নাই

ই-মেইল নং- নাই

মেসার্স হোটেল শাপলা (আবাসিক), সাং-৩৩ নবাব সিরাজদ্দৌলা রোড,

সিংগেল রুম ১৩টি নন-এসি

ডাবল রুম-১১টি নন-এসি

সিংগেল রুম ভাড়া-৭০/-

ডাবল রুম ভাড়া-১২০/-

ফোন নং- ন০১৮১৫২১৯৮৪৪

ফ্যাক্স নং-নাই

ই-মেইল নং- নাই

মেসার্স মীনা হোটেল, আবাসিক, সাং-মীনাবাজার, নারায়ণগঞ্জ

সিংগেল ২৪টি

ডাবল ১৫টি

সিংগেল রুম ভাড়া ১১০/-

ডাবল রুম ভাড়া ২৪০/-

ফোন নং-৭৬৩১০২৬

 

জিন্দা পার্ক, রূপগঞ্জ

দাউদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত এই মনোরম পার্ক টি। নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্যতম আকর্ষণ। প্রায় ১৫০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই পার্ক টিতে রয়েছে ২৫০ প্রজাতির ১০,০০০ এর বেশী গাছ-গাছালি,৫ টি জলাধার,অসংখ্য পাখ-পাখালির কলকাকলী সবকিছু মিলে পার্কটি দেশ বিদেশের পর্যটকদের জন্য একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছে।পার্কের ভেতরেই রয়েছে মার্কেট সেখানে সব ধরনের কেনাকাটা করতে পারে দর্শনার্থীরা। আছে লাইব্রেরী, ক্যান্টিন, প্রাণী জগত।পিকনিক বা ডে আউট করার জন্য আদর্শ জায়গা। পার্কের লেকেই নৌবিহারের জন্য রয়েছে ৭/৮টি সুসজ্জিত নৌকা। পার্ক সাপ্তাহে সাতদিনই খোলা। ভিতরে খাবারের জন্য রেস্টুরেন্ট আছে। প্রবেশ টিকেট ১০০ টাকা জনপ্রতি আর ভিতরে প্যাডেল বোট ঘন্টায় ৮০ টাকা।

জিন্দা পার্কে যাবার যোগাযোগের মাধ্যম হলো

১. একটি পথ হচ্ছে ঢাকার ৩০০ ফিট রাস্তা হয়ে সিএনজি অটোরিকশা বা ট্যাক্সি যোগে কাঞ্চন ব্রিজ হয়ে জিন্দা পার্ক।

২. ঢাকা থেকে বাস যোগে কাঁচপুর ব্রীজ হয়ে ভূলতা গাউছিয়া হয়ে বাইপাস দিয়ে কাঞ্চন ব্রীজ হয়ে জিন্দা পার্কে আসা যায়, ঢাকা থেকে জিন্দা পার্কের দূরত্ব ৩৭ কিঃ মিঃ,

৩. অথবা ঢাকা হতে টঙ্গী মিরের বাজার হয়ে বাইপাস রাসত্মা দিয়ে জিন্দা পার্ক আসা যায়, টঙ্গী হতে জিন্দা পার্কের দূরত্ব ২৮ কিঃ মিঃ।

 

রয়েল রিসোর্ট

location- Khashnogor Dighirpar , সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ, বাংলাদেশ Tel- +88 01709371680 , +88 01709371681 , +88 01709371682 Email- info@sonargaonroyalresort.com , reservations@sonargaonroyalresort.com , কর্পোরেট অফিস – রয়েল প্লাজা (3য় তলা), এইচ -8 / এ, আর -4, ধানমন্ডি , ঢাকা- 1205 , বাংলাদেশ এ আমাদের দেখুন www.sonargaonroyalresort.com www.facebook.com/sonargaonroyalresort, 01715724533

১. পদ্মা রিজোর্ট- মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে অবস্থিত পদ্মা রিসোর্ট। ফোনঃ01713033049, 01670868785.

 

রাসেল পার্ক নারায়ণগঞ্,রূপগঞ্জ
ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে রূপগঞ্জে রয়েছে মনোমুগ্ধকর এ পিকনিক স্পট। প্রায় ৩০ বিঘার মতো জায়গা জুড়ে এখানে রয়েছে সবুজের সমারোহ। রাসেল পার্কে রয়েছে তিনটি পিকনিক স্পট। এছাড়াও রাসেল পার্কের ভেতরেই রয়েছে ছোট একটি চিড়িয়াখানা। নানারকম পশুপাখি রয়েছে এ চিড়িয়াখানায়।

 

পন্ড গার্ডেন নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ জেলার কাঞ্চনে বেসরকারি একটি পর্যটনকেন্দ্র পন্ড গার্ডেন। প্রায় পঁচিশ বিঘা জায়গা জুড়ে শিশুপার্ক, অবকাশকেন্দ্র ছাড়াও এখানে আছে নানান আেয়াজন।
সোনার গাঁও
ঢাকার কাছেই আরেক আকর্ষণীয় পিকনিক স্পট হলো সোনার গাঁও। এখানকার লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের বিশাল চত্বরে রয়েছে বেশ কয়েকটি পিকনিক স্পট। এখানে বনভোজনের পাশাপাশি দেখে আসতে পারেন বাংলার ঐতিহাসিক নানান স্মৃতি। এখানকার লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন যাদুঘর, ঐতিহাসিক পানাম নগর , গোয়ালদী মসজিদ, গিয়াস উদ্দিন আযম শাহের মাজার ছাড়াও আরো অনেক ঐতিহাসিক জায়গা দেখে আসতে পারেন।

মেঘনা ভিলেজ রিসোর্ট 
নামের সঙ্গেই যেহেতু “ভিলেজ” যুক্ত অতএব এই রিসোর্ট গ্রামের মতোই সবুজ শ্যামল হবে, এটাই স্বাভাবিক। আসলেও তাই। মেঘনা রিসোর্ট ভিলেজের অবস্থান মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায়। যা মেঘনা ব্রিজ থেকে এক কিলোমিটার দূরে। এখানে অবকাশ যাপনকারীদের জন্য রয়েছে থাকা-খাওয়া এবং বিনোদনের সব ব্যবস্থা। এখানে রয়েছে এসি-ননএসি উভয় প্রকার। আর এখানকার প্রতিটি ঘর একটু ভিন্নভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা দেখতে অনেকটাই নেপালি কটেজের মতো। এখানে রয়েছে একটি বড় সবুজ মাঠ। যেখানে ইচ্ছে করলেই খেলাধুলায় মেতে ওঠা যায়। রয়েছে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টনসহ প্রচলিত বিভিন্ন খেলার সামগ্রী। এখানে যে খাবার পরিবেশন করা হয় সেসব খাবারে ঘরোয়া স্বাদ পাওয়া যাবে নিঃসন্দেহে। রাতের বেলা আরাম কেদারায় বসে চাঁদনী দেখতে চাইলে সেই ব্যবস্থাও রয়েছে। বিশেষ করে জায়গাটি যেহেতু খোলামেলা তাই আকাশ কিংবা চাঁদ দেখা যায় সহজেই।

ড. সাত্তার গণবিদ্যালয়, সোনার গাঁ

এখানে রয়েছে ৫০টি রুম। ২টি করে বেড। রয়েছে কনফারেন্স ও ট্রেনিং এর জন্য হলরুম। আরো আছে সোনাবিবির দিঘীর পাগে উন্মুক্ত মঞ্চ। দক্ষ বাবুচি দ্বারা সুস্বাদু রান্নার ব্যবস্থাও রয়েছে।

Published : অক্টোবর ১০, ২০১৭ | 3121 Views

  • img1

  • অক্টোবর ২০১৭
    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    « সেপ্টেম্বর   নভেম্বর »
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • Helpline

    +880 1709962798