• প্রচ্ছদ
  • /
  • ভ্রমণ
  • /
  • বাংলাদেশীদের কথা মাথায় রেখে পর্যটন সুবিধা বাড়ানোর কথা ভাবছে পশ্চিমবঙ্গ

বাংলাদেশীদের কথা মাথায় রেখে পর্যটন সুবিধা বাড়ানোর কথা ভাবছে পশ্চিমবঙ্গ

Published : মে ২৬, ২০১৭ | 1879 Views

বাংলাদেশ থেকে আসা পর্যটকদের কাছে পশ্চিমবঙ্গকে আকর্ষণীয় করতে পরিকল্পনা করছে পস্চিমবঙ্গ রাজ্যের সরকার।

‘ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটার্স কাউন্সিল’ হিসাব দিচ্ছে যে প্রতিবছর প্রায় ৫ লক্ষ বাংলাদেশি পর্যটক আসেন পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু তাঁদের বেশিরভাগই এক বা দুই রাত কলকাতায় কাটিয়ে অন্যান্য রাজ্যে চলে যান।   কলকাতা, শান্তিনিকেতন, মুর্শিদাবাদ আর দার্জিলিং পাহাড় রাজ্যের এই জনপ্রিয় পর্যটনস্থলগুলিতে যাতে বাংলাদেশিরা আরও বেশি দিন সময় কাটালে রাজ্যের বৈদিশিক মুদ্রা আরো বেশী অর্জিত হবে।

সংগঠনটির সভাপতি শুদ্ধব্রত দেব বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, যদি কোনও একটা বিশেষ দেশের মানুষকে আকৃষ্ট করতে চাই আমরা, তাহলে তাদের বিশেষ চাহিদার কথা মাথায় রেখেই আমাদের পর্যটন পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে, তথ্য ভান্ডার গড়তে হবে।” বাংলাদেশীদের জন্য যেসব সুবিধা বাড়ানো যায় সেগুলো হলো- সীমান্ত চেকপোস্টে উষ্ণ ব্যবহার, চিকিৎসা সংক্রান্ত হয়রানির অভিযোগ জমা নেওয়া, হালাল খাবারের দোকানগুলির তথ্য দেয়া, পর্যটক-সুবিধা বৃদ্ধি প্রভৃতি।

পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব বলছিলেন, “লক্ষ লক্ষ মানুষ বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে আসেন। সেই সংখ্যাটা কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, আমরা সেটাই চিন্তা করছি’’।

মি. শুদ্ধব্রত দেব বলছেন, “পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই যে সব পর্যটনস্থল আছে, সেগুলোতেই বাংলাদেশি পর্যটকদের অন্তত দিন সাতেকের জন্য আকৃষ্ট করা যায়। কোন্ ধরণের স্বাচ্ছন্দ্য দিলে তারা থাকবেন পশ্চিমবঙ্গে সেটা বুঝতে হবে আমাদের। যেমন বহু বাংলাদেশি এসে হালাল খাবারের খোঁজ করেন, সেটা এখানে খুব বেশি পাওয়া যায় না।

চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ জানানোর জন্য যদি পর্যটন দপ্তরই একটা বিশেষ বিভাগ খোলে, তাহলে বাংলাদেশিরা অন্তত জানবেন যে কোথাও একটা ভরসা করার জায়গা আছে। সীমান্তে যদি একটু উষ্ণ ব্যবহার করা যায়, স্বাগত জানানো যায়, তাহলেও বাইরে থেকে যারা আসছেন, তাদের ভাল লাগে। এগুলো করতে তো খুব বেশি খরচ হয় না, কিন্তু এই ছোটখাটো ব্যাপারগুলোর দিকেও নজর দেওয়া দরকার।”

বাংলাদেশ থেকে কম খরচে পর্যটকেরা ভারতে যেতে পারেন । কিন্তু সেখানে গিয়ে বেশীদিন থাকেন না। তারা চাইছেন এই থাকার সময়সীমা বাড়াতে যাতে করে তাদের আয়টা বাড়ে।

এদিকে সুন্দরবনের ভারতীয় অংশে হতদরিদ্র গ্রামের শ্রী ফেরাতে ‘হোম স্টে ট্যুরিজম’কে ব্যবহার করতে চায় রাজ্য সরকার৷ কোস্টাল রেগুলেশন জোন (সিআরজেড) ১-এর মধ্যে অবস্থিত সুন্দরবনে কংক্রিট নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার আইনি ফাঁসে থমকে দাঁড়িয়েছে বড় পর্যটন প্রকল্পের ভবিষ্যত্‍৷ ইতিমধ্যেই গদখালিতে পর্যটকদের জন্য তৈরি জেলা পরিষদের শেল্টার ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে গ্রিন বেঞ্চ৷

এর আগে দার্জিলিংয়ের লামাহাটায় ‘হোম স্টে ট্যুরিজিম’ সফল হলেও সুন্দরবনে তা কতটা কর্যৈকর হবে, তা খুঁজতে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের নির্দেশে বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ‘ইয়েস ব্যাঙ্ক’ সমীক্ষা শেষ করেছে৷ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে থাকা সুন্দরবনের সাতটি ব্লকের ২১টি গ্রামকে চিহ্নিত করেছেন বেসরকারি এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমীক্ষকরা৷ রাজ্য সরকার প্রথম দফায় তারই তিনটি গ্রাম ঘিরেই এই প্রকল্প শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ সমীক্ষকদের মতে, এই সাত ব্লকের জনসংখ্যা দশ লক্ষেরও কিছু বেশি৷ পাঁচজনের পরিবারের গড় আয় ৬৩৮ টাকা৷ প্রত্যেক গ্রামেই ৫০ থেকে ৮৫% মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাস করেন৷ এঁদের অনেকেরই জীবন জীবিকা বলতে মীন ধরা, মধু সংগ্রহ কিংবা কলকাতায় ‘বাবুর বাড়ির কাজের লোক’৷ খুব সামান্য অংশের মধ্যেই শিক্ষার প্রসার রয়েছে৷

তাহলে ভিসাটা করে নিন। আর টিকেট কবে খালি আছে দেখে নিন। িএজন্য ভিজিট করুন চলবে ডট কম। আর ফোন করুন ০১৭০৯ ৯৬২৭৯৭ এই নম্বারে ভিসা এবং টিকেট দুটোর জন্যই। পাসপোর্টটা হাতের কাছে রাখুন। চলবে ডট কম এর কাস্টমার কেয়ার নাম্বারে যোগাযোগ করুন যেকোনো সেবা পেতে। ফোন: 01709 962797।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Published : মে ২৬, ২০১৭ | 1879 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798