• প্রচ্ছদ
  • /
  • ভ্রমণ
  • /
  • সিভিল এভিয়েশান ও ট্যুরিজম এর উপর প্রাকবাজেট আলোচনা।

সিভিল এভিয়েশান ও ট্যুরিজম এর উপর প্রাকবাজেট আলোচনা।

Published : মে ৬, ২০১৭ | 1587 Views

২০১৭

সিভিল এভিয়েশান ও ট্যুরিজম এর উপর প্রাকবাজেট আলোচনা।

প্রতিবেদক: গত ৪ মে মহাখালী হোটেল অবকাশে অনুষ্ঠিত হয় সিভিল এভিয়েশন ও ট্যুরিজম সংক্রান্ত প্রাক বাজেট আলোচনা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। বেসামরিক বিমান চলাচল ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।  বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থপ্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান ও বেসামসরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জনাব ফারুক খান।

বাংলাদেশের ট্যুরিজম সেক্টরের সমস্যা ও তাদের দাবী দাওয়া তুলে ধরে মুল প্রবন্ধ পাঠ করেন। টোয়াবের ডিরেক্টর জনাব তৌফিক রহমান। এছাড়া সিভিল এভিয়েশান, আটাব, ও টোয়াবের পক্ষে বিভিন্ন সমস্যা ও দাবী দাওয়া তুলে ধরেন।

আটাবের সভাপতি আবদুস সালাম আরিফ বলেন, আমাদের দেশীয় কোম্পানীগুলোর উপর ২ দফা ভ্যাট ও ধরায় আমরা অনলাইনে বিদেশী কোম্পানীগুলোর সাথে প্রতিযোগিতার মধ্যে পড়ে যাচ্ছি। এতে করে অনলাইনে বিদেশে চলে যাচ্ছে বিমানের টিকেট ক্রয়ের অর্থ। তাই বিষয়টি সরকারের নজরে আনেন তিনি। নভোএয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মফিজুর রহমান দেশীয় এয়ার লাইন এবং বিদেশী এয়ার লাইনের ব্যাপারে বিমান বন্দরের বিভিন্ন চার্জের ক্ষেত্রে সরকারী বৈষম্য তুলে ধরেন। এবং ফুয়েলের দামের ব্যাপারে আন্তজাতিক অন্যান্য দেশের সাথে তুলনামুলক চিত্র তুলে ধরেন।

ট্যুরিজম বিষয়ক পত্রিকা দি বাংলাদেশ মনিটর এর সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম বলেন, এয়ার লাইনের টিকেটের উপর ভ্যাটের ক্ষেত্রে যদি আবার কমিশনে ভ্যাট দিতে হয় তাহলে সেটা ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি চাপ হয়ে যায়। তিনি বলেন পর্যটনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বহু আলাপ আলোচনার পর একটা নীতিমাল হওয়া সত্বেও সে বিষয়ে বাস্তবায়নে সরকারের আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। শুধু আলোচনা করে তো লাভ নেই যদি সেগুলো বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেয়া না হয়।

বিমান বাংলাদেশ এর এমডি বলেন। বাংলাদেশে ট্রানজিট প্যাসেনজারদের ট্রানজিট ফি ২১ ডলার। পর্যটনের স্বার্থে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই ফি তুলে দিয়েছে। কারণ একজন পর্যটক যদি শহরে ইন করে তাহলে তিনি ২১ ডলারের চেয়ে অনেক বেশী খরচ করেন। শুধু শুধু ২১ ডলার ফি দিয়ে ট্রানজিট ট্যুরিস্টদের নিরুৎসাহিত করার মাধ্যমে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। ঢাকাকে যদি ট্যুরিজম হাব করতে হয় এ ব্যাপারে নতুন করবে ভাবতে হবে। হাক করতে হলে এই ফি এর পূনবিবেচনা করা দরকার। বিমান বন্দরের কাঠামো পর্যাপ্ত নয়। তৃতীয় টার্মিনাল দরকার। ১০/১২টা ফ্লাইট ল্যান্ড করলে সমস্যা হয়ে যায়।

বক্তারা এই খাতকে এক্সপোর্ট অরিয়েন্টেড খাত হিসেবে, ইনসেনটিভ দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান। সরকার ২০টি সেক্টরে প্রনোদনা দেয়া হয়। সেক্ষেত্রে ট্যুরিজম খাতে অন্তত ৫% হলেও প্রনোদনা দেয়া হোক বলে দাবী করেন। তারা বলেন, যেসব ট্যুর প্রতিষ্ঠান কমপক্ষে ৫ বছর বিদেশী পর্যটক আনছে তাদের জন্য কম শুল্কে বা বিনাশুল্কে গাড়ী আমদানীর সুযোগ করে দিতে বলেন। যাতে করে পর্যটন পরিবহনে কোনো হয়রানীর মধ্যে পড়তে না হয়।

বাংলাদেশ ট্রাভেল জার্নালিস্ট ফোরামের আয়োজনে এখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এর চেয়ারম্যান অপরুপ চৌধুরী পিএইচডি, পর্যটন বিচিত্রা সংবাদ মহিউদ্দীন হেলালসহ আরো অনেকে। নাদিরা কিরনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া দেন তিন মন্ত্রী।

Published : মে ৬, ২০১৭ | 1587 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798