অনলাইন ব্যাংকিং পেমেন্ট ও গেটওয়ে

Published : নভেম্বর ২, ২০১৬ | 1576 Views

অনলাইন ব্যাংকিং পেমেন্ট ও গেটওয়ে

ই কমার্সসের সূচনা হয়েছে অনলাইন পেমেন্ট এর মাধ্যমে। এতে পন্য ক্রয় বিক্রয় এসেছে আরো অনকে পরে। প্রখম দিকে বি টু বি বা বিজনেস ফার্মের সাথে বিজনেস ফার্মের লেনদেন ও ব্যবসায়ের মাধ্যমে ব্যবহারিক ই কমার্স শুরু হয়। এখানে বিভিন্ন বিলিং বিশেষ করে বিমান টিকেট ক্রয়ের কথা উল্লেখ করা যায়। সেক্ষেত্রে আজ অনলাইন পেমেন্ট এর ক্ষেত্রে দাতা এবং গ্রহীতার ব্যাংকদ্বয় লেনদেনের অংশ হওয়ার পরও আরো দুটি মাধ্যম এ পক্রিয়ায় জড়িত এক কার্ড ও পেমেন্ট গেটওয়ে।
তখন এতসব আয়োজন না থাকলেও একভাবে এই এই লেনদেন সম্প্ন্ন হয়েছে। এর কারণ এটা শুধু ২টি পক্ষের লেনদেন ছিলো আর ছিলো সেবা ভিত্তিক। কোনো ক্ষেত্রে এটা শুধু পন্য বা সেবা পছন্দ করার জন্য ব্যবহার করা হতো।

অনলাইন ব্যাংকিং

ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে সাধারণ ব্যাংকিং কার্যক্রমকেই ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা অনলাইন ব্যাংকিং বলে। এক্ষেত্রে ইন্টারনেট-এ যুক্ত হয়ে ব্যাংকের নির্দিষ্ট সুরক্ষিত ওয়েবসাইট-এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার ব্যাংক একাউন্টে প্রবেশ করে। একাউন্টে প্রবেশের জন্য ব্যাংক গ্রাহককে প্রয়োজনীয় তথ্য (সাধারণত: একটি আইডি ও পাসওয়ার্ড) সরবরাহ করে। তবে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল ব্যাংকি কার্যক্রম করা যায় না। কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে যা দিন দিন কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ই-পেমেন্ট প্রসেসর/ গেটোয়ে এর সাথে পণ্য ক্রেতা, বিক্রেতা, ক্রেডিক/ডেবিট কার্ড কোম্পানী, ব্যাংক কোম্পানী, ই-পেমেন্ট প্রসেসিং কোম্পানী ও সরকার জড়িত থাকে। একটি বিশাল নেটোয়ার্ক। যার সুফল অনেক, অনেক, অনেক বেশী।

পেমেন্ট একাউন্ট কি?

জিমেইল, ইয়াহু, হটমেইল, ইত্যাদি ই-মেইল একাউন্ট এর মতই একটি একাউন্ট; যেখানে একজন ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যাদি, ব্যাংক একাউন্টস, ক্রেডিক/ডেবিট/ভিসা বা মাষ্টার কার্ডের মতো ইন্টারন্যাশনাল একসেপ্টেড কার্ড সংক্রান্ত হিসাব জমা থাকবে।  এই একাউন্ট ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী টাকা ট্রান্সফার, ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি লেনদেন  করা যায়। যেমন: কোনো ব্যক্তি ইন্টারনেটে ফ্রি ল্যান্সিং কাজ করে কিছু ডলার আয় করলেন। এই অর্থ অনলাইনে পেতে সাহায্য করে আপনার ই-পেমেন্ট একাউন্ট।

পেমেন্ট একাউন্ট প্রসেসিং কোম্পানী:

ই পেমেন্ট প্রসেসে যেসব কোম্পানী মাধ্যম বা সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে কাজ করে তাদেরকে  বলা হয় ই পেমেন্ট প্রসেসর। সমগ্র বিশ্বে সবচেয়ে বহুল প্রচলিত, কার্যকর ও একসেপ্টেড প্রতিষ্ঠান হল: পেপাল (PayPal) এছাড়াও রয়েছে এলার্টপে, ই-গোল্ড সহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পেপাল, এলার্টপে, ডিসকভারসহ বিভিন্ন ই-পেমেন্ট সিস্টেম বিদ্যমান রয়েছে অথচ আমাদের দেশেই এর ব্যবস্থা নেই।

 ১. ব্যাংক একাউন্ট কার্ড ও অনলাইন পেমেন্ট কার্ড

আমাদের দেশে সাধারণত যাদের ব্যাংকে একাউন্ট রয়েছে তাদের হিসাবের বিপরীতে ব্যাংককতৃক বিভিন্ন কার্ড ইস্যু করা হয়। যদিও কার্ডের কতৃপক্ষ রয়েছে। তাদের কার্ড ইস্যু করতে পারে ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকের নামে। এই কার্ডই হলো ব্যাংক কার্ড। ব্যাংক কার্ড দু রকমের হয়ে থাকে যেমন ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ড। আবার এমনও হতে পারে সিঙ্গেল কারেন্সি কার্ড ও ডুয়েল কারেন্সি কার্ড।

অনলাইন পেমেন্ট কার্ড হলো সে কার্ড যা দিয়ে অনলাইনে অর্থ আদান প্রদান করা যায়। বিশ্বজুড়ে অনলাইন পেমেন্ট কোম্পানীগুলো এই কার্ড ইস্যু করতে পারে। এই কার্ড দু রকম হতে পারে যেমন আভ্যন্তরীন ও আন্তজার্তিক আবার এমনও হতে পারে ফিজিক্যাল কার্ড ও ভ্যার্চুয়াল কার্ড।

অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে

অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে এমন একটি মাধ্যম যাতে আপনি অনলাইনে ডিজিটাল ফরম্যাটে লেদদেন করতে পারেন। মাচেণ্ট হিসেবে আপনি গ্রাহকের কাছ থেকে পন্য বা সেবার মূল্য গ্র্রহণ করতে পারেন। আর গ্রাহক তার ক্রেডিট , ডেবিট কার্ড, অনলাইন ব্যাংকিং এর সাহায্যে আপনাকে যেকোন স্থান থেকে মূল্য পরিষোধ করতে  এটা নিরাপদ ও স্বচ্চন্দ কারণ ২টি পক্ষের মাঝখানে ব্যাংক পুরো পক্রিয়াটা সম্পন্ন করছে।

বাংলাদেশী পেমেন্ট গেটওয়ে গুলোর মধ্যে ওয়ালেটিমিক্স লিমিটেড ইতোমধ্যে ক্রেতাদের মার্চেন্টদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। কারণ হচ্ছে ওয়ালেটিমিক্স আরএনডি করে বাজারের জন্য প্রোডাক্টস ও অফার ডিজাইন করে থাকে।

Published : নভেম্বর ২, ২০১৬ | 1576 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798