বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে

Published : নভেম্বর ১, ২০১৬ | 975 Views

বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে

বিদেশের অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়েতে বাংলাদেশি কোন কার্ড কাজ করেনা। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রেস্টি্কশান রয়েছে। বাংলাদেশের এবং দেশের বাইরের কার্ড এদেশের অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়েতে কাজ করতে হলে লোকাল অনলাইন পেমেন্টগেটওয়ে সার্ভিস নিতে হবে। তখন পে করা অর্থ মাচেণ্ট হিসেবে আপনার ব্যাংকের বিজনেস অ্যাকাউন্ট জমা হবে। সাধারণত দেশী অনলাইন পেমেন্টগেটওয়েতে দেশি বিদেশি সব ভিসা মাস্টার কার্ড কাজ করে। তবে এক্ষেত্রে কিছু বাড়তি নিয়ম রয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে বাংলাদেশী গেটওয়ে ব্যবহার করে পে করতে চাইলে তাকে তার জাতীয়তা প্রমানের কাগজপত্র পেশ করতে হয়। আর এই লেনদেনের মাত্রা ও অংক একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে হবে।
ওপিজি চার্জ
দেশের সব গেটওয়ে অন্যান্য বিশ্বের মতো ট্রানজেকশন এর সাথে একটা চার্জ নিয়ে থাকে। এর শতকরা হার ৩-৭% পর্যৃন্ত হয়। তবে বাংলাদেশী গেটওয়েগুলো সাধারণত কম চার্জ করে থাকে। এর পরিমাণ ২.৮% থেকে ৪ শথাংশ পর্ণ্ত। এছাড়া দেশীয় গেটওয়ে গুলো শুরুতে একটা রেজিস্ট্রেশান ফি নিয়ে থাকে। এর পরিমাণ ২-২০ হাজার পর্যন্ত। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি এখন ৫ হাজারে নেমে এসেছে। কখনো কখনো বিশেষ অফারের আওতায় এই ফি না নিয়েও ওপিজিগুলো রেজিস্ট্রেশান এর সুযোগ দেয়। কোনো হাউজ মাসিক ও বাতসরিক চার্জও নিয়ে থাকে।
বেনিফিশিয়ারী
এই ব্যবস্থার প্রথম বেনিফিশিয়ারী হলো মাচেন্ট বা ই কমার্স ব্যবসায়ীগন কারণ তারা নিজেদের ঠিকানায় বসে খুব সহজে তাদের পন্যের মূল্য কাস্টমারের কাছ থেকে আদায় করতে পারছেন।
দ্বীতিয়ত: গ্রাহক বা কাস্টমার যারা অনলাইনে পন্য ক্রয় করে বাসায় বসে অনলাইনেই এর মূল্য পরিশোধ করতে পারছেন।
তৃতীয়ত: পেমেন্ট ড়েটওয়ে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। যারা এই সেবার বিনিময়ে একটা নির্দিস্ট চার্জ থেকে কিছু অংশ পেয়ে থাকেন।
চতুর্থত: রিলেটেড ব্যাংক, যেহেতু ব্যাংকের সম্পৃক্ততা ছাড়া ওপিজি লেনদেন সম্ভব নয়। এবং চার্জ এর সিংহভাগ ব্যাংত পেয়ে থাকে। এজন্য এর অন্যতম প্রধান িবেনিফিশিয়ারী হচ্চে ব্যাংকগুলো।
পঞ্চমত:
দেশের সরকার প্রতিটি লেনদনে থেকে সরকার একটা ট্যাক্স পেয়ে থাকে। এছাড়া পুরো সেক্টরে নতুন কর্মসংস্থান হওয়ার ফলে। সেসব কর্মী এবং পুরো অর্থব্যবস্থা এতে উপকৃত হয়ে থাকে।
মার্চেন্ট এর আইডেন্টিফিকেশান
আপনি যখন অনলাইন পেমেন্টগেট ওয়েব রেজিস্টার করবেন তখন আপানাকে মার্চেন্ট আইডি দেয়া হবে। আপনি চাইলে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর বিপরীতে এাকাধিক মার্চেন্ট আইডি নিতে পারনে। এবং শুধু যে ইকমার্স ব্যবসায়ীরা পেমেন্ট গেটওয়ে নেবে তা নয়। অফলাইনে যারা ব্যবসা করেন যাদের একটি ই কমার্স ওয়েবসাইট রয়েছে তারাও অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা নিতে পারেন একই পক্রিয়া অনুসরণ করে।
আপনি একজন ব্যবসায়ী বা উদ্যাক্তা হিসেবে বিদ্যমান আ্ইনের আওতায় অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা নেয়ার জন্য সর্ব প্রথম ব্যবসায়ী হিসেবে ট্রেড বা ব্যবসা থাকতে হবে, থাকতে হবে তার একটি বৈধ লাইসেন্স। আপনার থাকতে পারে লিমিটেড কো মম্পানি হিসেবে জয়েন্ট স্টক যেকোন একটি নিবনবন্ধণ, এটা ইউনিয়ন পরিষদ, সিটিকরোরেশন বা পৌরসভা যেকোন কতৃপক্ষের দ্বারা ইস্যুকৃত হতে পারে। দরকার হবে জাতীয় পরিচয় পত্র, টিআইন সনদ এবং এ কটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যা আপনার ফার্মের নামেই হবে।
অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা পেতে
এই সেবাটি এক্টিভেট করতে আপনার প্রয়োজন হবে কিছু প্রযুক্তিগত সক্ষমতা।
মাচেণ্টদের অণলাইন শপ বা ই কামর্স সাইটের সিস্টেম এর সাথে অনলাইন পেমেন্টগেটওয়ে ইন্টেগ্রেট করার জন্য আপনি যে কোম্পানী থেকে পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা নিবেন তারা আপনাকে সাহায্য করবে। অথবা তাদের সাথে আপনি আপনার ওয়েব ডেভেলপারকে সম্পৃক্ত করেও সার্ভিস একটিভ করতে পারেন। যে ব্যাঙ্কের সাথে ইন্ট্রিগেট করার দরকার হবে তাদের নিজেদের এপিআই/ইন্ট্রিগ্রেশন প্রসেস থাকবে। তবে প্রথমেই ঐ ব্যাঙ্কের একটা একাউন্ট লাগবে। ওপিজি হাউসগুলো সাপ্তাহে ১/২/৩ বার পেমেন্ট করে থাকে। তবে টাকা সরাসরি আপনার বিজনেস একউন্টে জমা হবে। পেমেন্ট গেটওয়ে কোম্পানী আপনাকে লেনদেনের সামারি বা তথ্যসমূহ প্রদান করবে বা দেখার সুযোগ করে দেবে।

-জাহাঙ্গীর আলম শোভন

Published : নভেম্বর ১, ২০১৬ | 975 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798