নৌকায় টাঙ্গুয়া হাওড় ঘুরে মোহনগঞ্জ

Published : আগস্ট ২৪, ২০১৬ | 1854 Views

বর্ষা এসেছে। এ বর্ষায় দেশের হাওরগুলো ফুলে ফেপে ওঠে। তাই হাওরের প্রকৃত রুপ দেখতে চাইলে যেতে হবে বর্ষার সময়। আমরা বেড়াই বাংলাদেশের সদস্যরা তাই একটি পরিকল্পনা করছি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে একই সাথে অনেকগুলো হাওড় দেখার।

আমাদের মুল হাওড় হল টাঙ্গৃয়া হাওড়। টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩০টিরও বেশি ঝরা (ঝরণা) এসে মিশেছে এই হাওরে। দুই উপজেলার ১৮টি মৌজায় ৫১টি হাওরের সমন্বয়ে ৯,৭২৭ হেক্টর এলাকা নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর জেলার সবচেয়ে বড় জলাভূমি। পানিবহুল মূল হাওর ২৮ বর্গকিলোমিটার এবং বাকি অংশ গ্রামগঞ্জ ও কৃষিজমি। একসময় গাছ-মাছ-পাখি আর প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের আধার ছিল এই হাওর।

আমরা সারাদিন এ হাওড়ের আনাচে কানাচে ঘুরবো আর উপভোগ করবো অবারিত জললাশির উদ্দামতা। এরপরদিন খাজুড়ি হাওড়, পানা হাওড়, ডিঙ্গিপোতা হাওড় সহ বেশ কটি হাওড় পাড়ি দিয়ে বিকেলে মোহনগঞ্জ নেমে বাসে উঠবো।

বিস্তারিত নীচে:

– সেপ্টেম্বর ১, ২০১৬ : বৃহ:বার রাত ৯.৩০ এর বাসে সুনামগঞ্জ রওনা।

– সেপ্টেম্বর ২, ২০১৬ : শুক্রবার সকাল ৬ টায় সুনামগঞ্জ পৌছানো। নাস্তা করে হাসন রাজার বাড়ি দেখতে যাবো। এরপর লেগুনাতে করে ৩০ কি:মি: দুরের তাহিরপুর গিয়ে নৌকায় উঠবো।

সারা দিন হাওড়ে ঘুরে বেড়াবো। ইচ্ছে আছে বারিক্কা টিলা ও যাদুকাটা নদী দেখার। এসব দেখে ৩ টার দিকে গোলাবাড়ি ফিরে দুপুরের খাবার খাবো। রাতে তাহিরপুরের কাছে কোন নিরাপদ জায়গায় নৌকায় থাকা।

সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৬ : শনিবার সকালের নাস্তা করে আবার হাওড় যাত্রা শুরু। একে একে খাজুড়ি হাওড়, পানা হাওড়, ডিঙ্গিপোতা হাওড় সহ বেশ কটি হাওড় পাড়ি দিয়ে বিকেলে পৌছাবো মোহনগঞ্জ। এরপর বাসে ঢাকা ফিরে আসবো। ঢাকা পৌছাতে রাত ৯-১০ টা বেজে যাবে।

============================================
জনপ্রতি ফি : ৩৯০০ টাকা/-
===================================

– নন এসি বাসে সুনামগঞ্জ যাওয়া।
– সেপ্টেম্বর ২ সকালের নাস্তা থেকে সেপ্টেম্বর ৩ বিকেলের নাস্তা সহ সব ধরনের খাবার।

– হাওরে বড় এবং নিরাপদ নৌকায় ভ্রমণের ব্যবস্থা

– রাতে নৌকায় থাকা

– নন এসি বাসে মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকা ফেরা।
– স্ন্যাক্স, চা।

==ট্রিপ সাইজ : ৩০ জন==

= থাকার ব্যবস্থা : টাঙ্গুয়াতে থাকতে হবে নৌকার ছাদে বা নীচে। আমারা এবার বেশ বড় একটি নৌকা নিয়েছি। বৃষ্টি থাকলে নৌকার ভেতরে। এছাড়া যদি প্রশাসন অনুমিত দেয় তবে উপজেলা পরিষদ এর একটি কমনরুমে থাকা যেতে পারে। থাকার জন্য অবশ্যই একটি চাদর নিতে হবে।

= টয়লেট : বেশী ভালোনা। নৌকাতে একটি টয়লেট আছে। এছাড়া স্থানীয় গাইডের বাড়িতে কাচা টয়লেট আছে। সেগুলো ব্যবহার করতে হবে।

= খাবার : সাদা ভাত, একটি ভর্তা এবং একটি মুল তরকারি।

= আবহাওয়া : পুরোটা সময় বৃষ্টি হতে পারে। আবার ঝড়বৃষ্টিও হতে পারে।

= সিকিউরিটি : ইনশা আল্লাহ কোন সমস্যা হবেনা।

= লাইফ জ্যাকেট মাষ্ট

এসব কারনে :

* শিশুদের সাথে নেবেন না।
* যদি কোন মেয়ে যেতে চান তবে উপরের পয়েন্টগুলো ভালো করে পড়ে নেবেন। বিশেষ করে থাকা এবং টয়লেট।
* সবাইকে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট নিতে হবে।

যারা যাবেন কনফার্ম করে ফেলুন। এরপর ২৫০০/- এডভান্স দিয়ে দিন। বাকী টাকা যাবার দুদিন আগে দিতে হবে।

(বাসের সীট বন্টিত হবে :’ যিনি আগে টাকা দিয়ে কনফার্ম করবেন তিনি আগে বসবেন’ ভিত্তিতে)

টাকা জমা দেবার বিবরন :

১. বিক্যাশ করতে পারেন এ নম্বরে : ০১৮১-৯২৮৭৩২৭ (এক্ষেত্রে জমা দেবেন ২৫৫০ টাকা)

২। ব্রাক ব্যাংক, গুলশান ব্রাঞ্চ (যে কোন ব্রাঞ্চ থেকে টাকা জমা দেয়া যাবে)
একাউন্ট নম্বর : 1501200614338001
একাউন্ট নাম : MAHMUD HASAN KHAN
ব্রাঞ্চ : গুলশান

টাকা দেবার পর এখানে পোষ্ট করে জানাবেন।

কৃতজ্ঞতাই মোঃ হুমায়ুন কবির, সিইও, ওয়ালেটমিক্স পেমেন্ট গেটওয়ে, www.walletmix.com www.fb.com/walletmix

Published : আগস্ট ২৪, ২০১৬ | 1854 Views

  • img1

  • Helpline

    +880 1709962798