৭১ এর যোদ্ধাদের ৭২ এর গণ কবর

Published : জুলাই ২৮, ২০১৬ | 1209 Views

৭১ এর যোদ্ধাদের ৭২ এর গণ কবর

সালের ৬ জানুয়ারি স্বাধীনতার উষালগ্নে শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন দিনাজপুর এই দিনে এখানকার মহারাজা স্কুলে মুক্তিযোদ্ধা ট্রানজিট ক্যাম্পে এক আকস্মিক মাইন বিস্ফোরণে  মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ হন। অনেকেই আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন।

কি  ঘটেছিলো সেদিন
দিনাজপুরের মুক্তিযোদ্ধারা বিজয়ের পরপরই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পুঁতে রাখা মাইন অপসারণে নেমে পড়েন। এখানে অবস্থান নিয়ে প্রায় ৮ শত মুক্তিযোদ্ধা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন স্থান থেকে মাইন অপসারণ করে জড়ো করছিল এই ক্যাম্পে। ১৯৭২ সালের ৬ জানুয়ারি ঠিক মাগরিবের নামাজের পর দুটি ট্রাক থেকে মাইনগুলো নামাচ্ছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা। তাদের প্রটেকশানের কোনো যন্ত্রপাতি ছিলোনা। নামানোর সময় হঠাৎ এক মুক্তিযোদ্ধার হাত থেকে একটি মাইন ফসকে পড়ে যায় জড়ো করা মাইনের ওপর। তৎক্ষণাৎ জড়ো করা হাজারো মাইন ফটাফট বিস্ফোরিত হতে প্রকম্পিত হয় দিনাজপুর।  শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। শত শত মুক্তিযোদ্ধা আহত হন। মুক্তিযোদ্ধাদের শরীরের ছিন্ন ভিন্ন অংশ ছিটকে গিয়ে পড়ে আশপাশে এবং গাছের ডালে।স্থানীয় লোকজেন মুক্তিযোদ্ধাদের এসব ছিন্নভিন্ন অংশ জড়ো করে সমাহিত করা হয় সদর উপজেলার চেহেলগাজী মাজার প্রাঙ্গনে। সেখানে তাদের গণকবর দেয়া হয়।

েএখানকার লোকদের দাবী এই ঘটনাটা যেন পাঠ্যপুস্তকে অন্তভূক্ত করা হয়।

এইসেই গণকবর, যাওয়ার সময় রাতের অন্ধকারে আমি খেয়ালই করিনি। কিন্তু দিনাজপুর থেকে ফেরার সময় চোখে পড়লো।

এই একটি বিষয় দেখে সারাটা দিন আমার মন খারাপ ছিলো। বুকের ভিতর ব্যাথাটা চিন চিন করে বাজতেছিলো যেন। হানাদার পাকিস্থানীরা শুধুযে যুদ্বের সময় আমাদের সন্তারদের বুকে রক্ত চুষে খেয়েছে মায়েদের মেয়েদের সম্ভ্রম লুটেছে তা নয়। যুদ্বের আগে যেমন লুটে পুটে খেয়েছে যুদ্ভের পরেও নানাভাবে আমাদের ক্ষতি করেছে। হয়তো আজো থেমে নেই বিদেশী বেনিয়া, পুরনো শত্রু, প্রতিবেশী লুটেরা, আর মাতব্বরী প্রভুদের খেলা। নিজেদের নানা নৈতিক ভীতি, অত্যাচারিত আর নির্যাতিত হওয়ার ঐতিহাসিক স্মৃতি এসবই কি বাঙালীর যুগ যগান্তরের ললাট লিখন সে কেবল সময়ই বলে দিতে পারে। আমরা কখনো হয়তো বা হয়তো নিজেদের কপাল চাপড়াই কখনো অন্যকে ষড়যন্ত্রের দোষে দুষ্ট করি। আসলে কি তাই। হয়তো সবই এক সূত্রে গাঁথা।

অনেকেই বলেন আজকের সমাজ ও দেশে যেসব দূর্নিীত সন্ত্রাস ধান্ধাবাজি বাটপারি হয় এসবই নাকি আজকের ভদ্রতার মুখোশ আর সভ্যতার ভান করে থাকা সাদা চামড়ার ইংরেজ জাতিরই দান। তারাইতো মীরজাফর, রাজবল্লভ, আর রায়দূর্লভ উমিচাদদের সৃষ্টি করেছে সিরাজের পতনের জন্য, মীর কাসিমকে পোষ মানানোর জন্য আর অন্যের সম্পদ লুট করে রংমহল বানানোর জন্য। আর পাকিস্তানীরা বানিয়েছে রাজাকার আলবদর আলশামস ও শান্তিকমিটি।

Published : জুলাই ২৮, ২০১৬ | 1209 Views

  • img1

  • জুলাই ২০১৬
    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    « জুন   আগষ্ট »
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • Helpline

    +880 1709962798